
সিলেট নগরের কিনব্রিজ-তোপখানা এলাকায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় এক সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৯) সদস্য ইমন আচার্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্ত আসাদুল আলম বাপ্পীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি মডেল থানার পাশের কিনব্রিজ এলাকায় কয়েকজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে পুলিশের একটি টহল দল। এ সময় আসাদুল আলম বাপ্পী নামের এক ব্যক্তি তোপখানা এলাকার দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। সত্য সনাতন টিভি
সেই সময় ব্যক্তিগত কাজে সাদা পোশাকে ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান করছিলেন র্যাব-৯ এর সদস্য ইমন আচার্য। পুলিশের ধাওয়া দেখে তিনি অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে বাপ্পী ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমনের বুকের বাঁ পাশে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। জানা যায় ইমন আচার্য চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার কাটিরহাট পশ্চিম ধলই আচার্য পাড়ার বাসিন্দা মিন্টু আচার্যের ছেলে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তিনি তোপখানা এলাকার একটি বাসায় ঢুকে এক শিশুকে জিম্মি করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে কৌশলে শিশুটিকে উদ্ধার করে আসাদুল আলম বাপ্পীকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি ধারালো চাকুও জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, নিহত ইমন আচার্য র্যাবের একজন সদস্য ছিলেন। পুলিশকে সহযোগিতা করতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।