শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তির আগেই বাণিজ্যিক সাফল্যের ইঙ্গিত, ‘রামায়ণ’-এর সংগীতস্বত্ব বিক্রি প্রায় ৮০ কোটি রুপিতে ব্রিটিশ জাদুঘর থেকে বাগদেবীর মূর্তি ফেরাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে ভারত বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ পাহাড়তলী থানার অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রেম দাশ অক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্ন পূরণ, হারমোনিয়াম পেল ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকীতে বাংলাদেশ মন্দির কমিটি, নাটোর জেলা শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি মন্দিরে বিবাহ সম্পূর্ণ করলেন গীতাপাঠক মিশন দত্ত রামুতে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের ২০২৬ সালের নতুন কমিটি গঠন রাজারকুলে ঋষিব ধর শৌনকের অন্নপ্রাশন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী মহানামযজ্ঞের আয়োজন গোপালগঞ্জে দুই হিন্দু শিক্ষার্থীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মূলহোতা বাঁশখালীতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক তড়িৎ গুহের ওপর হামলার অভিযোগ, বিচার দাবি

ধর্মীয় সুরে জাগরণ, শৈব সংঘের হাত ধরে ‘ডমরু ব্যান্ড’-এর পথচলা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

শিবচতুর্দশীর এক ধর্মীয় আয়োজন থেকে শুরু হয়েছিল যাত্রা। ২০১৯ সালে শৈব সংঘের আয়োজনে শিবগীতা পাঠ করেন অলোক দেবনাথ ও তাঁর দল। সেই অনুষ্ঠানে তাঁদের পরিবেশনা ভক্তদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরে টানা তিন বছর ধরে শিব স্তুতি পাঠ ও শিব তাণ্ডব পরিবেশন করে সনাতনী ভক্তবৃন্দের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেয় দলটি।

 

এই ধারাবাহিক সাড়া ও ধর্মীয় আবেগ থেকেই নতুন একটি ভাবনার জন্ম হয়। অলোক দেবনাথ, সত্যজিৎ দে ও প্রাণেষ ভট্টাচার্য সিদ্ধান্ত নেন, শুধু আনুষ্ঠানিক পরিবেশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয় ব্যান্ড গড়ে তুলবেন। যে ব্যান্ড সঙ্গীতের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের চেতনা ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে। সত্য সনাতন টিভি

 

সেই ভাবনার বাস্তব রূপ ‘ডমরু ব্যান্ড’। ২০২২ সালে ব্যান্ডটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপর থেকেই বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ধর্মীয় আয়োজনে তাদের পরিবেশনা নতুন মাত্রা যোগ করে। মহাদেবের স্তোত্র, শ্রী রামের জয়গান কিংবা আদি শঙ্করাচার্যের রচনায় সজ্জিত সঙ্গীত পরিবেশনা রাতভর ভক্তিময় আবহ তৈরি করে। সত্য সনাতন টিভি

 

বর্তমানে ব্যান্ডটিতে রয়েছেন অলোক দেবনাথ, সত্যজিৎ দে, প্রাণেষ ভট্টাচার্য, কাঞ্চন দাশ, রুপ্লব গুপ্ত, দীপংকর চক্রবর্তী, বেস পরি ও বিজয় সব্যসাচীর মতো গুণী শিল্পীরা। ব্যান্ডসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, তাঁদের প্রতিটি সুর ও ছন্দের মূল উদ্দেশ্য ভক্তির অনুভূতি জাগিয়ে তোলা এবং ধর্মীয় সংস্কৃতিকে মানুষের অন্তরে পৌঁছে দেওয়া।

 

ডমরু ব্যান্ডের এই দীর্ঘ পথচলায় শুরু থেকেই পাশে রয়েছে শৈব সংঘ। সংগঠনটির সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ধর্মীয় সংগীতচর্চার এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বিশ্বাস, সনাতন ধর্মের বৈদিক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সত্য সনাতন টিভি

 

“সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করেই এগিয়ে যাক সনাতনী সমাজ” এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ব্যান্ডটির সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews