
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের বাঘিনী গ্রামের স্কুলছাত্রী সীঁথি রাণী বিশ্বাস দেড় মাস নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে উদ্ধার হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাধু রজত বিশ্বাসের ছোট মেয়ে সীঁথি রাণী বিশ্বাস প্রায় দেড় মাস আগে নিখোঁজ হয়। পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের সুজন বিশ্বাস নামে এক যুবক বাথরুমে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই মেয়েটির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সত্য সনাতন টিভি
মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারটি চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে গত ১৫ এপ্রিল ঝিনাইদহ জজ কোর্টের নারী ও শিশু আদালতে চারজনকে আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন মেয়েটির বাবা।
ঘটনাটি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করলে পুলিশের তৎপরতা বাড়ে। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় হাটফাজিলপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শামীম ইসলামকে। তিনি বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন বলে জানা যায়।
পরবর্তীতে শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির মোল্লার নির্দেশনায় পুলিশ মাঠে নামে। অবশেষে রবিবার (১০ মে) সকালে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। সত্য সনাতন টিভি
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম ইসলাম জানান, রবিবার সকাল ৮টার দিকে আসামির বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে দীর্ঘদিনেও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেন, আসামিদের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ থাকার কারণেই এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।