
বাগেরহাটের শরণখোলায় এক সংখ্যালঘু (হিন্দু) পরিবারের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামে রবীন ঢালীর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিবেশী সোবাহান হাওলাদার ও তার সহযোগীরা এই হামলা চালায়। সত্য সনাতন টিভি
রবীন ঢালী জানান, সকাল ১০টার দিকে সোবাহান হাওলাদার, তার দুই ছেলে এবং আরও কয়েকজনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা ঘরের চালা, বেড়া ও আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে এবং ট্রাঙ্ক ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও জমির কাগজপত্র লুট করে নেয়। বাধা দিতে গেলে পরিবারের নারী সদস্যদের মারধর করা হয়।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রবীনের স্ত্রী, মা, নানী ও দুই খালা। তাদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, এমন সহিংস ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সত্য সনাতন টিভি
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
শরণখোলা থানার ওসি জানান, রবীন ঢালী বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।