বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিমাংশু দত্তের ২৬ বছরের কর্মজীবনের অবসান, ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিদায় উখিয়ায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে সর্বজনীন শ্রী শ্রী গণেশ পূজা সম্পন্ন একটি মাছের জন্য ভিক্ষা চেয়েছিলেন সুশীলা রানী, শেষ পর্যন্ত পেলেন মানুষের ভালোবাসা রাস্তা দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে থানায় আশু নাথ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ছবি শেয়ার করে ওমর সানির আবেগঘন বার্তা চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে দীপক কুমার পালিতের আবেগঘন বার্তা দুর্গাপূজায় শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ রাউজান নরসিংদীতে মণি চক্রবর্তী হত্যা নয় মাস পর প্রধান আসামিসহ আটক ২ ভক্তি ভরে বাড়িতে গণেশপূজা করলেন লিটন দাস দুমকিতে মন্দিরের ১৫০ বছরের পুরোনো পিতলের গোবিন্দ প্রতিমা উদ্ধার

নরসিংদীতে মণি চক্রবর্তী হত্যা নয় মাস পর প্রধান আসামিসহ আটক ২

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সত্য সনাতন টিভি | অনলাইন সংস্করণ

 

নরসিংদীর পলাশে ব্যবসায়ী মণি চক্রবর্তী হত্যার ঘটনায় প্রায় নয় মাস পর দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাঁদের মধ্যে একজনকে মামলার প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার রাতের শেষভাগে নরসিংদী শহরের একটি এলাকা থেকে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজেন্দ্র চৌহান রাজু (৪৫) ও সাগর চৌহান (২৫)। রাজু চরসিন্দুর বাজারের গোদারাঘাট এলাকার মঙ্গল চৌহানের ছেলে। আর সাগর একই এলাকার চন্দ্রন চৌহানের ছেলে।

 

পুলিশ ও মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি রাতে সুলতানপুর গ্রামে নিজের বাড়িতে ফেরার সময় হামলার শিকার হন মণি চক্রবর্তী। বাড়ির প্রবেশপথের কাছে পৌঁছানোর পর তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। গুলিটি তাঁর মাথায় লাগে এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

 

মণি চরসিন্দুর বাজারে মাটি কাটার বিভিন্ন যন্ত্র এবং পাথর সরবরাহের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওই ব্যবসায় রাজেন্দ্র চৌহান রাজু তাঁর অংশীদার ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

হত্যাকাণ্ডের পর মণির বাবা মদন চক্রবর্তী পলাশ থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি ৭ জানুয়ারি নথিভুক্ত হয়। শুরুতে মামলায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছিল।

 

এই মামলায় এর আগে ইমরান হোসেন, রনি মিয়া, সুমন মিয়া ও মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁরা জামিনে মুক্ত হন।

 

মণির পরিবারের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ থাকতে পারে। নিহতের স্ত্রী অন্তরা মুখার্জির ভাষ্য, বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় ব্যবসার হিসাব-নিকাশ নিয়ে রাজেন্দ্র চৌহান রাজুর সঙ্গে তাঁর স্বামীর বিরোধ দেখা দেয়। তাঁর দাবি অনুযায়ী, হিসাব করে মণি রাজুর কাছে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাওনা দাবি করেছিলেন।

 

অন্তরা মুখার্জি আরও অভিযোগ করেন, ওই বিরোধের জেরে তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় রাজেন্দ্র চৌহান রাজুর বিরুদ্ধে ভাড়াটে ব্যক্তিদের ব্যবহার করে হত্যার অভিযোগও করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফল এখনো প্রকাশিত হয়নি।

 

পরবর্তীতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে গত ১০ মার্চ নরসিংদীর আদালতে রাজেন্দ্র চৌহান রাজু, সোমা চৌহান, সাগর চৌহান ও শ্যামল চৌহানের বিরুদ্ধে মামলা করেন অন্তরা মুখার্জি। সত্য সনাতন টিভি

 

ডিবির তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ মো. জসিম জানান, মণি চক্রবর্তী হত্যার তদন্তের অংশ হিসেবে রাজেন্দ্র চৌহান রাজু ও সাগর চৌহানকে নরসিংদী শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে পাঠিয়ে সাত দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শুনানি পরবর্তী তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews