শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহা-শোভাযাত্রা শরীয়তপুরে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস খাওয়ানোর অভিযোগ জন্মাষ্টমীতে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা আজ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩ তম শুভ জন্মাষ্টমী। ‘সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি’: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমী: কৃষ্ণের আবির্ভাব থেকে মানবতার জাগরণ ঘরে ঘরে গীতার বাণী পৌঁছে দিতে চকরিয়ায় গীতা স্কুল উদ্বোধন ৪০ কেজি ওজনের ত্রিশূলসহ যুবক গ্রেপ্তার রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাসহ সহিংসতার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রংপুরের হত্যাকাণ্ডকে রহস্যজনক দাবি করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদের

শরীয়তপুরে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস খাওয়ানোর অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : অনিক মন্ডল

শরীয়তপুরের চিকন্দী সরফ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক চরম সাম্প্রদায়িক ও ন্যক্কারজনক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু ছাত্র-ছাত্রীদের খাসির মাংসের কথা বলে পরিকল্পিতভাবে গরুর মাংস খাওয়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবার।

 

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতির কথা জেনেও কৌশলে তাদের গরুর মাংস খাওয়ানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং অনেকেই অসুস্থ হয়ে বমি করতে শুরু করে।

 

এই ঘটনাকে নিছক ভুল নয়, বরং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং বর্তমান সরকারকে হেয়প্রতিপন্ন করার একটি গভীর ও গুপ্ত ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

 

এই ঘটনার মূলহোতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেনের নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন বিগত সরকারের একজন সুবিধাভোগী দোসর। তার নেতৃত্বে এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য শিক্ষকরা কার বা কাদের প্ররোচনায়, কী উদ্দেশ্যে এই ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক কাজ করেছেন তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন হীন চক্রান্ত কোনোভাবেই কাম্য নয়। ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর এই আঘাত কেবল সনাতনী শিক্ষার্থীদের অনুভূতিতে আঘাত হানেনি, বরং এটি দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু জনগণ ও অভিভাবকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান শিক্ষক নূর হোসেনসহ সকল দোষী শিক্ষককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ঘৃণ্য কাজ করার সাহস না পায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews