
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযানে গিয়ে রূপম কান্তি দে (৪২) নামে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মারা গেছেন। এ সময় অভিযানে থাকা আরেক পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
গত ২৩ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬ ঘটিকার দিকে উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের হারবাং স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন রূপম কান্তি দে। সত্য সনাতন টিভি
নিহত রূপম কান্তি দে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হরিপদ দের ছেলে এবং চকরিয়া থানার অধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি স্থানীয় যুবলীগ কর্মী জুনাইদের অবস্থানের খবর পেয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এসআই মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সন্ধ্যা পৌনে ৬ ঘটিকার দিকে তাঁরা জুনাইদকে আটক করার চেষ্টা করেন। এ সময় এএসআই রূপম কান্তি দে জুনাইদের প্যান্টের বেল্ট ধরে ছিলেন।
একপর্যায়ে জুনাইদের সঙ্গে এসআই মোফাজ্জলের কথা-কাটাকাটি হয়। এর মধ্যেই হঠাৎ করে বেল্ট ছেড়ে দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রূপন। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সুযোগে আসামি জুনাইদ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। সত্য সনাতন টিভি
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা. জায়নুল আবেদীন জানান, সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার দিকে রূপন কান্তি দেকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সত্য সনাতন টিভি
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। রূপন আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং একাধিকবার স্ট্রোক করার পর তাঁর হার্টে রিং বসানো হয়েছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ পলাতক আসামিকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।