রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভাব-সংগ্রাম থামাতে পারেনি তমালকে, শেষ পর্যন্ত অর্জন করলেন মাস্টার্স ডিগ্রি খুরুশকুলে নয়ন সাধু হত্যা,ছয় মাস পর আসামি গ্রেপ্তার টিউশনের টাকা জমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি, বাঁশখালীর উচ্ছাসের স্বপ্নপূরণ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাই হারানোর শোক, এবার অকালে ঝরে গেল সপ্তম রায় প্রিয়মের প্রাণ বোনকে ভালো পাত্রে বিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন ছিল সপ্তমের, সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেল জীবন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সম্মেলন প্রস্তুতি উপ-কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও প্রথম সভা অনুষ্ঠিত তবলার তালে, সাংবাদিকতার কলমে-এবার মাস্টার্সেও সাফল্য অর্ণব মল্লিকের মুক্তির আগেই বাণিজ্যিক সাফল্যের ইঙ্গিত, ‘রামায়ণ’-এর সংগীতস্বত্ব বিক্রি প্রায় ৮০ কোটি রুপিতে ব্রিটিশ জাদুঘর থেকে বাগদেবীর মূর্তি ফেরাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে ভারত বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ পাহাড়তলী থানার অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রেম দাশ অক্ষয়

অভাব-সংগ্রাম থামাতে পারেনি তমালকে, শেষ পর্যন্ত অর্জন করলেন মাস্টার্স ডিগ্রি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদন : সজল দাশ | আনোয়ারা প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের নতুন ফকির পাড়ার তরুণ তমাল দাশ। নানা প্রতিকূলতা ও পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর এই অর্জনের পেছনে রয়েছে বাবা-মা, ছোট ভাইদের সহযোগিতা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশীর্বাদ।

 

তমাল দাশ হাইলধর নতুন ফকির পাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা সারথী রঞ্জন দাশ এবং মা কমলা দাশ। চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন তিনি।

 

তমাল জানান, পড়াশোনার পথটা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। পরিবারের আর্থিক ও নানা বাস্তবতার মধ্যেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর এই পথচলায় বাবা-মায়ের পাশাপাশি ছোট ভাইদের সহযোগিতা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিশেষ করে পড়াশোনার সময় তাঁর মেজো ভাই চাকরি করতেন। নিজের কর্মজীবনের পাশাপাশি ভাই পরিবারের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতেন। সেই সহযোগিতা তমালের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। সত্য সনাতন টিভি

 

তমাল দাশ বলেন, “এতটুকু পড়াশোনার পেছনে আমার বাবা-মা ও ছোট ভাইদের অনেক সহযোগিতা রয়েছে। আমি যখন পড়াশোনা করতাম, তখন আমার মেজো ভাই চাকরি করত এবং আমাদের পরিবারকে সহযোগিতা করত। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া হয়তো এই পথ এতটা সহজ হতো না।”

 

তিনি আরও বলেন, “ঠাকুরের কৃপায় আজ আমি স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমার এই সফলতার পেছনে আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেক আশীর্বাদ রয়েছে। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

 

তমালের এই অর্জনে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, শিক্ষাজীবনের এই অর্জনকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে তমাল নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করবেন এবং সমাজের জন্যও অবদান রাখবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews