
মহেশখালী পৌরসভার সেবক রনজিত দে (প্রকাশ লন্ডন) দীর্ঘদিন ধরে গোরকঘাটা বাজার মসজিদ রোড এলাকায় ট্রাফিক নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।শোক তাকে থামাতে পারেনি, দায়িত্ব থেকে সরাতে পারেনি।
সম্প্রতি তার মায়ের মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোক। প্রচলিত হিন্দু প্রথা অনুযায়ী অশৌচ পালনকালে গলায় সাদা অশৌচের সুত্র (পৈতা) ধারণ করেন তিনি।
কিন্তু ব্যক্তিগত বেদনা ও শোককে হৃদয়ে ধারণ করেইমায়ের মৃত্যুর মাত্র ৪ দিন পর পুনরায় হাজির হন সেই চিরচেনা রাস্তায়।
গাড়িকে সংকেত দিচ্ছেন,যানজট নিয়ন্ত্রণ করছেন,শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন আগের মতোই। তার এই দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা দেখে গোরকঘাটা বাজারের ব্যবসায়ী, ড্রাইভারসহ এলাকার সাধারণ মানুষ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
একজন সন্তানের জন্য মায়ের মৃত্যু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শোক। তবুও সমাজের স্বার্থে, মানুষের চলাচলের নিরাপত্তার জন্য নিজের দায়িত্বে অবিচল থাকা, এটাই প্রকৃত সেবার উদাহরণ।
মহেশখালীর রনজিত দে আজ শুধু একজন পৌরসভার কর্মীনন,তিনি দায়িত্ব ও মানবিকতার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।