
পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলায় অবস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন শ্রীগুরু সংঘের কেন্দ্রীয় আশ্রম। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক শ্রীগুরু শাখা সংঘ কতৃক যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনে নিতে হবে কেন্দ্রীয় আশ্রমের অনুমতি একরকম একটি প্রজ্ঞাপন ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেখা যায়।
শ্রীগুরু সংঘ কেন্দ্রীয় আশ্রমের সভাপতি ও আশ্রম অধ্যক্ষ স্বামী জগন্নাথানন্দ সরস্বতী, নির্বাহী সভাপতি শ্রী পরিমল চন্দ্র কর্মকার এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শ্রী পরিতোষ মণ্ডল স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শ্রীগুরু সংঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের আওতাধীন সকল আশ্রম/শাখা সংঘের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হয় যে সকল আশ্রম/শাখা সংঘের কমিটির মেয়াদ ইতিমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে বা হওয়ার অপেক্ষায় অথবা যেকোনো কারনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ছাড়া কমিটি করা সম্ভব হয়নি সেসকল শাখা সংঘের অনুষ্ঠান আয়োজনে অবশ্যই কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।
বিষয়টি অতীব জরুরি উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয় অনুমোদন ব্যাতীত কোনো জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কেন্দ্রীয় আশ্রম কোনভাবেই দায় বহন করবেনা।
মুঠোফোনে কথাপ্রসঙ্গে শ্রীগুরু সংঘের নির্বাহী সভাপতি শ্রী পরিমল চন্দ্র কর্মকার বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন ব্যাতীত যদি কোনো কমিটি করা হয় এবং সেই অনুমোদনবিহীন কমিটির নেতৃত্বে যদি কোনো শাখা সংঘের অনুষ্ঠান আয়োজন করার কারনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে এর দায়ভার কেন্দ্রীয় কমিটি বহন করিবেনা।
শ্রীগুরু সংঘের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শ্রী পরিতোষ মণ্ডল বলেন,আমাদের সংগঠনে ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট সাধারণ পরিষদ থেকে ৭১ জন কার্যকরী পরিষদ করা হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় আশ্রমের মুলনীতি অনুযায়ী যদি কোনো শাখা সংঘ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তাহলে কেন্দ্রীয় কমিটি বরাবর আবেদন করতে হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমোদন দেয়া হয়। এর ব্যাপ্তয় হলে যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে এর দায়দায়িত্ব কেন্দ্রীয় কমিটি বহন করিবেনা এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই প্রজ্ঞাপন দেয়া হয় বলে জানান তিনি।