বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

হিন্দু ধর্ম নিয়ে সাবেক এমপি হারুনুর রশিদের বক্তব্যের প্রতিবাদে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের বিবৃতি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯৫ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ সাম্প্রতিক এক সমাবেশে হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার মন্তব্যে হিন্দু ধর্মের পূজাকে “শয়তানের এবাদেত” বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। ” সত্য সনাতন টিভি”

 

মহাজোটের পক্ষ থেকে বলা হয় হারুনুর রশিদের এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক স্থিতি ও শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ধরনের বক্তব্য হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশকে নষ্ট করতে পারে।

 

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পালাশ কান্তি দে এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, হিন্দু ধর্ম ও সম্প্রদায়কে অপমানিত করে এমন বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য এবং এর জন্য হারুনুর রশিদকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেশের নির্বাচনী পরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ” সত্য সনাতন টিভি”

 

হিন্দু মহাজোট মনে করে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কিংবা একটি সম্প্রদায়কে হেয় করে কোনো বক্তব্যই কাম্য নয়।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের সকল ধর্মের মানুষকে সম্মান করা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখাই শান্তি ও স্থিতিশীলতার মূল চাবিকাঠি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews