বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদন : সমীর রুদ্র || কক্সবাজার প্রতিনিধি 

 

কক্সবাজারে পেকুয়া উপজেলার বিশ্বাসপাড়া ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের সুশীলপাড়াসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ করেছে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন মহাকাল সেনা। এ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেছে আমরা সবাই সনাতনী সংগঠন।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বন্যাদুর্গত এলাকায় সংগঠন দুটির স্বেচ্ছাসেবকেরা চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রী নিয়ে দুর্গম ও পানিবন্দী এলাকায় পৌঁছে অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যার কারণে পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বারবাকিয়া সুশীলপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বহু পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। পাশাপাশি দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।

 

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা অব্যাহত থাকবে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের মানবিক কার্যক্রম চলবে বলেও জানান তারা।

 

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তারা বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তা বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews