রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরের হত্যাকাণ্ডকে রহস্যজনক দাবি করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদের পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন দীপেন দেওয়ান।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন দীপেন দেওয়ান, এমপি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল।

 

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত শারীরিক সীমাবদ্ধতা যাতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রভাব না ফেলে, সে বিবেচনা থেকেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন এবং নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানের রেকর্ড গড়েন।

 

রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান লাভ করেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। বর্তমানে ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

 

দীপেন দেওয়ানের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় বিচার বিভাগীয় চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে। ২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্বও পালন করে আসছিলেন।

 

রাজনৈতিক ও পারিবারিক উভয় ক্ষেত্রেই দীপেন দেওয়ানের একটি সুপরিচিত পটভূমি রয়েছে। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সুবিমল দেওয়ানের অবদান আজও স্মরণ করা হয়।

 

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সম্ভাব্য পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা দেখা দিয়েছে।

 

তবে এখন পর্যন্ত তাঁর পদত্যাগপত্রের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews