
ইমন কল্যাণ সঙ্গীত বিদ্যাপীঠের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা, সংগীতানুষ্ঠান ও বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষার সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যা ৫টা ১ মিনিটে থিয়েটার ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংগীত মানুষকে আনন্দ, শান্তি ও প্রেরণা দেয়। এটি মানুষের মনের গভীরে পৌঁছে অনুভূতির নানা রঙ ছড়িয়ে দেয়। দুঃখের সময় সংগীত সান্ত্বনা দেয়, আর আনন্দের মুহূর্তকে করে আরও উজ্জ্বল। সংগীত মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে প্রভাবিত করে এবং সৃজনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করে।
বক্তারা আরও বলেন, সংগীত আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং মানুষের আবেগ প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সংগীতচর্চা মনকে প্রশান্ত রাখে এবং আমাদের ঐতিহ্যকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেয়। তাই সংগীতচর্চার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সংগীত শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে তারা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে বেড়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী জয়ন্তী লালা। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত। সংবর্ধেয় অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত, বাংলা একাডেমি ফেলোশিপপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বংশীবাদক উস্তাদ ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার মহেশখালী কলেজের সাবেক অধ্যাপক কানু কুমার চৌধুরী।
বাচিক শিল্পী প্রবীর পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইমন কল্যাণ সঙ্গীত বিদ্যাপীঠের পরিচালক রঞ্জন দত্ত এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন রচিতা দত্ত।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজিত সংগীতানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন প্রত্যয়ী, অস্নম্বিতা, পর্ণিকা, নিলাদ্রী, অন্তু, স্বরুপ, অভিজিৎ, শীশান্ত, কোয়েল, সায়ন্তি, মোহনা, নৈঋতা, সর্বানী, রুদ্রজ, অবন্তী, নিভৃতি, হিয়া, ঋদ্ধি, মহিমা, আদ্রিকা, অন্বেষা, শ্রেষ্ঠা, অরশি, চন্দ্রিমা, ঋত্তিকা, পুষ্পিতা, সামিহা, প্রাচী, যশোজিত, অঙ্কিতা, ঈশিকা, মিথিলী, পূর্ণিমা, শাইলা, অধরা, অন্নি, তনুশ্রী, জ্যোতির্ময়, রূপকথা, জেসিকা, অস্মি, দীর্ঘ, অরুক, অথৈ, সৌরিক, স্বার্থক, সৃজিতা, অপরাজিতা, কৃত্বি, দীপা, সুমি, অগ্নিমিত্রা, অস্মিতা, রিতিষা, দেবশ্রী, আরাধ্য, প্রন্তিকা, অনিক, জ্যোতি, অমিত, শ্রাবণী ও সায়র প্রমুখ।
সংগীত পরিবেশনায় কীবোর্ডে ছিলেন সৃজন রায় এবং তবলায় সহযোগিতা করেন রূপক চক্রবর্তী, বিষ্ণু দাস ও দেলোয়ার হোসেন। সমগ্র সংগীতানুষ্ঠান পরিচালনা করেন রচিতা দত্ত।