শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তির আগেই বাণিজ্যিক সাফল্যের ইঙ্গিত, ‘রামায়ণ’-এর সংগীতস্বত্ব বিক্রি প্রায় ৮০ কোটি রুপিতে ব্রিটিশ জাদুঘর থেকে বাগদেবীর মূর্তি ফেরাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে ভারত বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ পাহাড়তলী থানার অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রেম দাশ অক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্ন পূরণ, হারমোনিয়াম পেল ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকীতে বাংলাদেশ মন্দির কমিটি, নাটোর জেলা শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি মন্দিরে বিবাহ সম্পূর্ণ করলেন গীতাপাঠক মিশন দত্ত রামুতে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের ২০২৬ সালের নতুন কমিটি গঠন রাজারকুলে ঋষিব ধর শৌনকের অন্নপ্রাশন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী মহানামযজ্ঞের আয়োজন গোপালগঞ্জে দুই হিন্দু শিক্ষার্থীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মূলহোতা বাঁশখালীতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক তড়িৎ গুহের ওপর হামলার অভিযোগ, বিচার দাবি

পরলোক গমন করেছেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

 

ভারতের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার তার মৃত্যু হয়। তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

 

১৯৩৩ সালে সংগীতপ্রেমী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে অল্প বয়সেই সংগীতজগতে প্রবেশ করেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পেশাদারভাবে গান শুরু করে ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করেন। এরপর ১৯৫০-এর দশকে বলিউডে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন তিনি।

 

সমসাময়িকদের মধ্যে নিজের বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর খ্যাতির ছায়া পেরিয়ে নিজস্ব গায়কী ও বৈচিত্র্যে শ্রোতাদের মন জয় করেন আশা ভোঁসলে। কয়েক দশক ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছান। সত্য সনাতন টিভি

 

দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনয়ন পান এই কিংবদন্তি শিল্পী।

 

ব্যক্তিগত জীবনেও ছিল নানা উত্থান-পতন। অল্প বয়সে গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করলেও পরে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ১৯৯৪ সালে বর্মণের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন।

 

তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণালী অধ্যায়ের অবসান ঘটল। ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীদের কাছে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews