
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের বিষয়টি সূচিতে না থাকায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। সে সময় জানানো হয়, অনুষ্ঠানের সূচি প্রণয়ন করেছিল ড. ইউনূসের প্রশাসন এবং এতে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সত্য সনাতন টিভি
এর মধ্যে গতকাল অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চার ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।
উদ্বোধনী পর্বে আয়োজকেরা বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। বইমেলার মতো জাতীয় আয়োজনে এ উদ্যোগ বহুত্ববাদ ও সহনশীলতার বার্তা বহন করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। সত্য সনাতন টিভি
সমালোচকদের একটি অংশ মনে করছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে ওঠা বিতর্ক ও নাগরিক সমাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটেই এ পরিবর্তন এসেছে। তাঁদের মতে, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সংগত দাবিতে সোচ্চার হলে তার প্রতিফলন কখনো কখনো রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তেও দেখা যায়।
তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে সংবেদনশীলতা দেখানো বর্তমান প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় পরিসরে সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সামাজিক আস্থাকে আরও দৃঢ় করতে পারে।