শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিরোজপুররে, সজল কুমার দেউরীর মৃত্যু ঘিরে নতুন তথ্য, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান পরিবারের পটুয়াখালীতে শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামীর বিরুদ্ধে পূর্বের নির্যাতনের অভিযোগ শুধু হিন্দুরাই বৃত্তি পেয়েছে’ ভাইরাল দাবি বিভ্রান্তিকর, বিশেষ কর্মসূচির উপবৃত্তির তালিকা নিয়ে অপপ্রচার ফেসবুক মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনা: পুলিশের হাতে যুবককে তুলে দেওয়ার পরও সুনামগঞ্জে হিন্দুপল্লী ও মন্দিরে হামলা-ভাঙচুর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যাপক উদ্যোগ সংবিধানে সমতার নিশ্চয়তা, সমাজে বৈষম্যের বাস্তবতা: দলিত (হরিজন) জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও জীবনসংগ্রাম স্ত্রীর স্বীকৃতি ও সংসার ফিরে পাওয়ার দাবিতে চিকিৎসকের অনশন ফেনীর ফুলগাজীতে শতবর্ষী দোল মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ, সংঘর্ষে আহত অন্তত ৫ নরসিংদীতে মন্দির উন্নয়নের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে ইসকনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা মহোৎসব–২০২৬: উল্টো রথযাত্রায় প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন

শপথ অনুষ্ঠানে গীতাপাঠ না থাকায় প্রশ্ন, সংবিধান কি বলছে?

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

 

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, পবিত্র বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথা উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় আয়োজনে কেন সব ধর্মের গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হলো না।

 

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২(ক)-এ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উল্লেখ রয়েছে। তবে একই অনুচ্ছেদে অন্যান্য ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি অনুচ্ছেদ ২৭-এ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতার কথা এবং অনুচ্ছেদ ৪১-এ ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত।

 

তবে সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক পদধারীদের জন্য শপথের নির্দিষ্ট ভাষা উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়, “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ় প্রত্যয়) করিতেছি যে…”। অর্থাৎ ‘শপথ’ বা ‘দৃঢ় প্রত্যয়’—দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে। কোথাও নির্দিষ্ট কোনো ধর্মগ্রন্থ পাঠের বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ নেই। সত্য সনাতন টিভি

 

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শপথ গ্রহণ একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া; এটি মূলত রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ও দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার। কোনো ধর্মীয় আচার পালনের বিষয়টি সেখানে বাধ্যতামূলক নয়। ফলে শপথ অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থ পাঠ না হওয়া সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না।

 

তবে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, বাংলাদেশ বহু ধর্মাবলম্বীর দেশ। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সব ধর্মের প্রতি প্রতীকী সম্মান প্রদর্শন করলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে।

 

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিতর্কের মধ্যেই প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে রাষ্ট্রীয় শপথ অনুষ্ঠান কি কেবল সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বহুধর্মীয় বাস্তবতার প্রতিফলনও সেখানে যুক্ত হবে। সত্য সনাতন টিভি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews