রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার নিখোঁজের দুই দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন

বোনের টাকা তুলতে হাড়ের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে ভাই

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

 

ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কেওনঝড় জেলায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চরম অসহায়ত্ব আর দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতায় এক ভাইকে তার মৃত বোনের হাড়ের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকে হাজির হতে হয়েছে শুধুমাত্র কিছু সঞ্চিত টাকা তোলার জন্য।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০ বছর বয়সী আদিবাসী ব্যক্তি জীতু মুন্ডা তার বড় বোন কালরা মুন্ডার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ১৯,৪০০ রুপি তুলতে ব্যাংকে যান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার বোনের মৃত্যু হলেও, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিশেষ করে মৃত্যু সনদ বা উত্তরাধিকার সনদ না থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

 

একাধিকবার ব্যাংকে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত চরম সিদ্ধান্ত নেন জীতু মুন্ডা। তিনি বোনের কবর খুঁড়ে দেহাবশেষ তুলে এনে কাঁধে করে ব্যাংকে উপস্থিত হন, যাতে প্রমাণ করতে পারেন যে তার বোন সত্যিই মারা গেছেন। সত্য সনাতন টিভি

 

জীতু মুন্ডা বলেন, “আমি অনেকবার ব্যাংকে গিয়েছি। বোনের জমানো সামান্য টাকাগুলো আমাদের খুব দরকার ছিল। কিন্তু তারা বিশ্বাস করছিল না যে সে মারা গেছে। আমার কাছে কোনো সনদ ছিল না, তাই বাধ্য হয়েই হাড় নিয়ে এসেছি।”

 

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। পরবর্তীতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে টাকা প্রদান করে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া হয়। সত্য সনাতন টিভি

 

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন

একটি পরিবার কতটা অসহায় হলে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়? দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা কেন এত জটিল? মানবিকতা কি কাগজপত্রের কাছে হার মানছে?

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন দুঃখজনক কাহিনি নয়; বরং এটি প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য অধিকার পাওয়ার পথে বিদ্যমান জটিলতা ও বৈষম্যের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। সত্য সনাতন টিভি

 

এই করুণ চিত্র আমাদের সমাজ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মানবিক দিক নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews