
কুমিল্লায় কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ঘটনাটির বিস্তারিত জানাতে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সংবাদ সম্মেলন করবে সংস্থাটি।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে রহস্যাবৃত থাকা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে চলমান অভিযানের স্বার্থে গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় কিংবা ঘটনার বিস্তারিত এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। সত্য সনাতন টিভি
মেজর সাদমান বলেন, “ঘটনাটি ক্লুলেস ছিল। আমরা অভিযানে নেমে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।” সত্য সনাতন টিভি
এর আগে, গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম থেকে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় নিজ বাসায় ফিরছিলেন বুলেট বৈরাগী (৩৫)। পথে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা হয় রাত ২টা ২৫ মিনিটে। তিনি জানান, কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
রাতভর অপেক্ষার পরও বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন শনিবার সকালে তার বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সত্য সনাতন টিভি
পরে শনিবার সকালেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে বুলেট বৈরাগীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত বুলেট বৈরাগী কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা কাস্টমস অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। ৪১তম বিসিএসে নন-ক্যাডার হিসেবে কাস্টমস, ভ্যাট ও এক্সসাইজ বিভাগে যোগ দেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী, এক বছরের সন্তান ও বাবা-মাকে রেখে গেছেন।