বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হলো তিলক পরা হিন্দু শিশুকে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

 

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কপালে হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক তিলক ধারণ করার কারণে এক আট বছর বয়সি শিক্ষার্থীকে মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাকে স্কুল পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়। সত্য সনাতন টিভি

 

ব্রিটিশ হিন্দু ও ভারতীয় সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ইনসাইট ইউকে’ বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে। সংস্থাটির দাবি, ভিকারস গ্রিন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ও কর্মীরা শিশুটিকে তার ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে বারবার ব্যাখ্যা দিতে চাপ দেন, যা একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর জন্য অনুপযুক্ত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। সত্য সনাতন টিভি

 

অভিযোগে বলা হয়েছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিরতির সময় শিশুটির ওপর বাড়তি নজরদারি করতেন। এতে শিশুটি আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে সহপাঠীদের সঙ্গে মেলামেশা ও খেলাধুলা বন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে সে নিজেকে একা রাখতে শুরু করে।

 

এছাড়া ধর্মীয় চর্চার কারণ দেখিয়ে শিশুটিকে স্কুলের কিছু দায়িত্বপূর্ণ কার্যক্রম থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ইনসাইট ইউকে বলছে, এ ধরনের আচরণ যুক্তরাজ্যের ২০১০ সালের সমঅধিকার আইনের পরিপন্থী, যেখানে ধর্মকে একটি সংরক্ষিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

 

সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, কোনো শিশুরই তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বিচ্ছিন্ন বা অনিরাপদ বোধ করা উচিত নয়, বিশেষ করে যখন এমন আচরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে আসে।

 

ভুক্তভোগী শিশুটির অভিভাবকসহ কয়েকটি হিন্দু পরিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করে। তারা তিলকের ধর্মীয় গুরুত্ব বোঝাতে চাইলেও প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদ সে উদ্যোগে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

ইনসাইট ইউকে আরও জানিয়েছে, সংলাপের পথ না বেছে নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতিকে অবজ্ঞা করেছে। একই ধরনের অভিযোগে ওই স্কুল থেকে আগেও অন্তত চারজন শিক্ষার্থী স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews