মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মিরসরাইয়ে অবসর নেওয়া শিক্ষককে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি পৌঁছে দিল শিক্ষার্থীরা সাইকেলে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে রাঙামাটির বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ভেদরগঞ্জে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রশাসন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা হিন্দু ছাত্র মহাজোটের ৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা শত বাধা পেরিয়ে হরিজন পল্লীর কৃষ্ণা রানী এখন সফল উদ্যোক্তা সনাতন ঋষি আশ্রমে JHP প্রবাসী ফোরামের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সর্বপ্রথম মেধস মুনির আশ্রমে হয়েছিল শারদীয় দুর্গাপূজা আলুটিলার সাপমারায় মালবাহী জীপ খাদে, চালক চন্দন দত্তের মৃত্যু চট্টগ্রাম মহানগরে হিন্দু ছাত্র সংহতির নতুন কমিটি

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপ্ত রায় গ্রেপ্তার; বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার অভিযো

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদন : সত্য সনাতন টিভি || অনলাইন সংস্করণ 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটি গ্রামের বাসিন্দা দীপ্ত রায়কে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ ওঠার পর গত ২৩ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এ ঘটনায় পুলিশ নিজেই মামলার বাদী হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

তবে দীপ্ত রায়ের গ্রেপ্তারের মধ্যেই ঘটনাটি সীমাবদ্ধ থাকেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল উত্তেজিত ব্যক্তি দীপ্ত রায়ের পৈতৃক বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় একটি হিন্দু মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

 

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিলেও, হামলা-ভাঙচুরে জড়িতদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষ করে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ থাকার পরও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছে কি না, কিংবা কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না—এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

 

এদিকে, বিষয়টি ঘিরে সামাজিক ও মানবাধিকার মহলে সমানভাবে আইনের প্রয়োগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রতিশোধমূলক বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতা প্রতিরোধে রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।

 

প্রসঙ্গত, গত কিছুদিন আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি অবমাননার অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ছবি ও ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ থাকার দাবি করা হলেও, সমালোচকদের মতে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান আইনগত অগ্রগতির তথ্য প্রকাশিত হয়নি। এ কারণে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনের সমতা ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

তবে উভয় ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews