বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

তেলঙ্গানায় ৮০০ বছরের প্রাচীন শিবমন্দির ভাঙা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

 

তেলঙ্গানার ওয়ারাঙ্গল জেলায় কাকাতিয়া আমলের প্রায় ৮০০ বছরের পুরোনো একটি শিবমন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ তুলেছে, রাজ্যের কংগ্রেস সরকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

 

বিরোধী দল ভারত রাষ্ট্র সমিতির কার্যকরী সভাপতি কে টি রামা রাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, তেলঙ্গানার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে যাদের কোনো ধারণা নেই, তাদের হাতেই আজ রাজ্যের দায়িত্ব। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়ারাঙ্গল জেলার খানাপুর মণ্ডলের অশোকনগর এলাকায় কাকাতিয়া রাজাদের নির্মিত শতাব্দীপ্রাচীন শিবমন্দিরটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের নামে ঘরবাড়ি ও গাছপালা ধ্বংসের পর এবার ঐতিহাসিক নিদর্শনও রক্ষা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানান।

 

অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টিও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দলটির অভিযোগ, কাকাতিয়া সম্রাট গণপতি দেবের আমলে নির্মিত এই মন্দিরটি তেলঙ্গানার ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ছিল। অথচ প্রত্নতাত্ত্বিক সুরক্ষার আওতায় থাকা সত্ত্বেও সেটি ধ্বংস হয়ে গেল।

 

দলটির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডির আমলে সরকারি সুরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও নিরাপদ নয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি সমন্বিত বিদ্যালয় নির্মাণ প্রকল্পের জন্য মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনার পর ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বিষয়টি নিয়ে মামলা দায়ের করেছে বলে জানা গেছে। সত্য সনাতন টিভি

 

আইনজীবী রামা রাও ইম্মানেনি জাতীয় স্মারক কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্দিরটিতে ১২৩১ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি বিরল তেলুগু শিলালিপি ছিল। সাত লাইনের ওই শিলালিপি ১৯৬৫ সালেই ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিভাগের নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

 

এ ছাড়া মন্দির এলাকা ঐতিহাসিক “কোটা কাট্টা” কাদামাটির দুর্গ অঞ্চলের অংশ ছিল বলে জানা গেছে। এলাকাটি প্রাচীন জলাশয় ও দুর্গপ্রাচীরঘেরা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল হিসেবেও পরিচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews