বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

ভারতের হরিদ্বারে ‘অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড, কেন ?

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার সারা ভারতের অন্যতম পবিত্র ও জনপ্রিয় তীর্থস্থান। প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী ও পর্যটকের ভিড় জমে এখানে। সেই হরিদ্বারেরই হৃদয়স্থল হর কি পৌরি ঘাটে সম্প্রতি ‘অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

হর কি পৌরি অর্থ ভগবানের পদচিহ্নের সিঁড়ি। বিশ্বাস অনুযায়ী, রাজা বিক্রমাদিত্য তাঁর ভাই ভর্তৃহরির স্মৃতিতে এই ঘাট নির্মাণ করেছিলেন। এখানেই রয়েছে ব্রহ্মকুণ্ড, যেখানে সমুদ্র মন্থনের সময় অমৃতের ফোঁটা পড়েছিল বলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস। প্রতিদিন সন্ধ্যায় গঙ্গা আরতির সময় হাজার হাজার প্রদীপের আলোয় এই ঘাট হয়ে ওঠে নয়নাভিরাম। কুম্ভ মেলা, অর্ধকুম্ভ ও বৈশাখী উৎসবের মতো বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজনও হয় এখানেই। সত্য সনাতন টিভি

যদিও হর কি পৌরি মূলত হিন্দু ধর্মের আবেগ ও বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত, তবু দীর্ঘদিন ধরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এই ঘাটে দর্শনার্থী হিসেবে আসছেন। তবে সম্প্রতি হর কি পৌরি ও আশপাশের ঘাট এলাকায় ‘অ-হিন্দু নিষিদ্ধ’ লেখা সাইনবোর্ড চোখে পড়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

খবর অনুযায়ী, হর কি পৌরি এবং সংলগ্ন ঘাটগুলির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সংগঠন ‘গঙ্গা সভা’ এই সাইনবোর্ডগুলি স্থাপন করেছে। সেতুর রেলিং, স্তম্ভ এবং এলাকার প্রবেশপথে এগুলি লাগানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সত্য সনাতন টিভি

গঙ্গা সভার দাবি, এটি কোনও নতুন সিদ্ধান্ত নয়। ১৯১৬ সালের হরিদ্বার পৌরি আইন অনুযায়ী হর কি পৌরির প্রধান স্নানঘাট ও সংলগ্ন নির্দিষ্ট এলাকা অ-হিন্দুদের জন্য সীমাবদ্ধ। নতুন সাইনবোর্ডের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সেই আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। সত্য সনাতন টিভি

প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে আরবি পোশাক পরা দুই যুবককে হর কি পৌরি এলাকায় ঘুরতে দেখা যায়। সেই ভিডিও ঘিরেই বিতর্ক তীব্র হয়। পরে জানা যায়, ওই দুই যুবক আসলে হিন্দু এবং নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিও তৈরি করতে সেখানে গিয়েছিলেন। সত্য সনাতন টিভি

গঙ্গা সভার সভাপতি নীতিন গৌতম সংবাদমাধ্যমকে জানান, “হর কি পৌরি একটি পবিত্র তীর্থস্থান। ১৯১৬ সালের আইন অনুযায়ী এখানে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। নতুন সাইনবোর্ড বসানো হয়েছে যাতে এই আইন সম্পর্কে সবাই স্পষ্টভাবে জানতে পারেন।”

এই ঘটনায় প্রশাসনিক স্তরে নতুন কোনও ঘোষণা না এলেও, সাইনবোর্ড ঘিরে ধর্মীয় অনুভূতি, আইন ও পর্যটনের ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews