শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় গীতা শিক্ষা নিকেতনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট বগুড়া জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী হলেন সৌরভ কর্মকার রথযাত্রা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর ইসকন মন্দিরে বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘের জল ও শরবত সেবা বিশ্বকাপের ম্যাচ নিয়ে বাজির পর প্রেমিকের সঙ্গে চলে গেলেন বিবাহিত নারী, ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল দুই সন্তান রাউজানে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের শুভ রথযাত্রা উৎসব উদযাপন ফরিদপুরে ইসকন মন্দিরের উদ্যোগে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের রথযাত্রায় হিন্দু ছাত্র পরিষদের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে জাগো হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা, রাঙ্গুনিয়া থেকে ২৫০ জনের বেশি ভক্তের অংশগ্রহণ হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ রামুতে অনুষ্ঠিত হলো রথযাত্রা রথযাত্রায় ‘মহামায়া সেবা কল্প’-এর ধর্মান্তর বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

দক্ষিণ বঙ্গের ঐতিহ্য বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পূজার আয়োজন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে
সরকারি ব্রজমোহন কলেজে প্রতি বছর সরস্বতী পূজা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগ, অনুষদ এবং সনাতন বিদ্যার্থী সংঘ মিলে ২৩ থেকে ২৪টি মণ্ডপে পূজা আয়োজন করে, যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে বাণী অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও বসন্ত পঞ্চমী উপলক্ষে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে কর্তৃক বিভাগ ভিত্তিক সরস্বতী পূজা আয়োজিত হতে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে আগামী ০৯ মাঘ ১৪৩২(বঙ্গাব্দ) ও ২৩ জানুয়ারি ২০২৬(খ্রিস্টাব্দ) তারিখে, শুক্রবার দেবী সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী সহ সকলের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করেছেন  আয়োজক কমিটি।
কলেজের মূল ভবন মাঠে বিভিন্ন বিভাগ (যেমন – উচ্চ মাধ্যমিক, অনুষদসমূহ) এবং সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ আলাদা আলাদাভাবে পূজা আয়োজন করে, যা এক বিশাল পূজামঞ্চে পরিণত হয়।
ব্যাপক অংশগ্রহণ: শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষও এই পূজায় অংশ নেন।ধর্মীয় আবহ: ঢাকের বাদ্য, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে পূজা মণ্ডপগুলোতে এক ধর্মীয় ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।
সাজসজ্জা: প্রতিটি পূজামণ্ডপকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়।
বাণী অর্চনা ও পুষ্পাঞ্জলি: সকাল থেকে ভক্তরা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: সন্ধ্যায় আরতি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রতীকী তাৎপর্য: শিক্ষার্থীরা বই, খাতা ও কলম দেবীর চরণে রেখে জ্ঞান ও বিদ্যার জন্য প্রার্থনা করে, যা শেখার আনন্দ ও শিক্ষাকে উৎসর্গ করার প্রতীক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews