বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মির্জাপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ পরিবারকে পূজা উদযাপন পরিষদের সহায়তা দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটিসহ ১১ দফা দাবি, স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি রামুতে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম আবির্ভাব ও পুনর্মিলনী উৎসব রুদ্রাক্ষ বাবাজির মাতার পরলোকগমন দুর্গাপূজায় থাকছে টানা দুই দিন সরকারি ছুটি ফটিকছড়ির সুন্দরপুরে মগদেশ্বরী মন্দিরে তালা ভেঙে গয়না ও প্রণামী লুট বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে কোটালীপাড়ায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যের নৌকাবাইচ সিলেট মহানগরে বাংলাদেশ সনাতন পার্টির ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা সিলেটে দুর্গামণ্ডপে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর, যুবক কারাগারে ১১ দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যু, মৌলভীবাজারে শোকের আবহ

ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে নিঃস্ব,খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে ১৮টি হিন্দু পরিবার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জালিয়া পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৮টি হিন্দু পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য আকুতি জানাচ্ছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে লাগা আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু পুড়ে যায়। আগুনের তীব্রতায় কেউ কিছু রক্ষা করতে পারেনি, ফলে পরিবারগুলো একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। সত্য সনাতন টিভি

 

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা অনুযায়ী, নিশি দাস (৫ সদস্য) প্রায় ৭ লাখ টাকা, রাজকুমার দাস (৪ সদস্য) ১০ লাখ টাকা, রাজ দাস (৩ সদস্য) ৬ লাখ টাকা এবং রঞ্জিত দাস (৬ সদস্য) প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এছাড়া বাদল দাস, মিন্টু দাস, রুবেল দাস, কৃষ্ণপদ দাস, জনি দাস, ভাগ্য দাস, সিদুল দাস, রঞ্জু দাস, রামপদ দাস, কাজল দাস ও চিনু দাসসহ অন্যান্য পরিবারগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকার মধ্যে বলে জানা গেছে। সত্য সনাতন টিভি

 

সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, পোশাক এবং চিকিৎসা সহায়তার তীব্র সংকটে রয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলেও এখনো পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছেনি। এতে করে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এই বিপর্যস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews