1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. sourav@gmail.com : সৌরভ কর্মকার : সৌরভ কর্মকার
  3. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেমের টানে ঘড় বাঁধলেন তজিম্মুদ্দিন থানার দুই সনাতনী তরুণ তরুণী। বেতারে উপস্থাপকদের পোশাকবিধি ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা তুঙ্গে। ভারত যা চাইবে, তা-ই পাবে: মোদিকে নিয়ে ট্রাম্পের প্রশংসা গাবতলীতে গৃহবধূ রিতা মজুমদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২ শ্রীমান অমল কৃষ্ণ দাস প্রভু (ড. অভিনব গ্রোভার)-এর জীবন, সাধনা ও বৈজ্ঞানিক অর্জন। রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে রূপকথা রায়ের স্বর্ণজয়। প্রযুক্তিকে মানবসেবায় রূপ দিতে প্রীতম পালের বায়োনিক হাত উদ্যোগ। কান্তি বন্ধু ব্রহ্মচারী মহারাজের সঙ্গে হিন্দু ছাত্র পরিষদের সাক্ষাৎ। আদমদীঘিতে ৭ ফুট উচ্চতার গাঁজার গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। চট্টগ্রামে সনাতনী ধর্মীয় রক ব্যান্ড ‘টিম শ্রীকৃষ্ণ’-এর জমকালো আত্মপ্রকাশ।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়াস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের ১৯১তম শুভ জন্মোৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রী নয়ন সাহা | রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববরেণ্য সাধক শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস–এর ১৯১তম শুভ জন্মোৎসব। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পাঠ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে আয়োজিত হবে এ মহতী অনুষ্ঠান।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হবে। প্রভাতের নির্মল পরিবেশে মন্দির প্রাঙ্গণ ভরে উঠবে ভক্তদের স্তব-প্রার্থনায়। এরপর পর্যায়ক্রমে বেদ পাঠ, শ্রীশ্রী চণ্ডী পাঠ ও শ্রীশ্রী গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের মতে, এসব ধর্মীয় পাঠ উপস্থিত ভক্তদের মাঝে আধ্যাত্মিক শুদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি ও নৈতিক চেতনা জাগ্রত করবে।

সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা। এবারের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— “বিশ্ব চেতনায় শ্রীরামকৃষ্ণ”। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, অধ্যক্ষ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, চট্টগ্রাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক শ্রীমতি রীতা দত্ত, প্রাক্তন সভাপতি, সারদা সংঘ, চট্টগ্রাম; শ্রীপ্রশান্ত কুমার মন্ডল, প্রভাষক, সংস্কৃত বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; শ্রীদেব্রত দাশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), রাঙ্গুনিয়া; প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার দেব, সহ-সভাপতি এবং শ্রীসৌমেন চক্রবর্ত্তী, সম্পাদক, শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, রাঙ্গুনিয়া। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী রামকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, সর্বধর্মসমন্বয়ের বাণী ও মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
আলোচনা সভা শেষে ভক্তদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।

আয়োজকরা জানান, এ পর্বটি ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে উঠবে।
বিকেল ৪টায় শুরু হবে ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান। স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা শ্রী রামকৃষ্ণের বন্দনা ও ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশন করবেন। ভক্তিমুখর এই আয়োজন মন্দির প্রাঙ্গণকে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহে রূপান্তরিত করবে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হবে সান্ধ্যকালীন প্রার্থনা। এতে উপস্থিত সকল ভক্ত একযোগে প্রার্থনায় অংশ নিয়ে শ্রী রামকৃষ্ণের আশীর্বাদ কামনা করবেন।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই জন্মোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং আধ্যাত্মিক জাগরণ, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সামাজিক সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হবে। রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে দিনটি হয়ে উঠবে স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জন্মোৎসব উপলক্ষে ইতোমধ্যে সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মন্দির ও আশ্রম চত্বর আলোকসজ্জা ও ফুলের সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক দল দায়িত্ব পালন করবে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ধর্মীয় এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক ভক্ত আগেভাগেই মানত ও বিশেষ পূজার নিবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। আয়োজকদের মতে, শ্রী রামকৃষ্ণের সার্বজনীন বাণী— “যতো মত, ততো পথ”— আজও মানবসমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতার বার্তা বহন করে। তাঁর জীবন ও সাধনা কেবল ধর্মীয় পরিমণ্ডলে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবকল্যাণ, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক জাগরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উল্লেখ্য, উনবিংশ শতাব্দীর এই মহান আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ভারতীয় ধর্মচিন্তায় এক নবজাগরণের সূচনা করেন। তাঁর আদর্শ ও দর্শনকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দেন তাঁর শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রামকৃষ্ণ মিশন তাঁর আদর্শ প্রচার ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

রাঙ্গুনিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমও দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, শিক্ষা ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে স্থানীয় সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। জন্মোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি ভক্তদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে, ভক্তি, জ্ঞান ও সেবার সমন্বয়ে আয়োজিত এই জন্মোৎসব রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য হয়ে উঠবে এক অনন্য আধ্যাত্মিক মিলনমেলা।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববরেণ্য সাধক শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস–এর ১৯১তম শুভ জন্মোৎসব। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পাঠ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে আয়োজিত হবে এ মহতী অনুষ্ঠান।

সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা। এবারের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— “বিশ্ব চেতনায় শ্রীরামকৃষ্ণ”। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, অধ্যক্ষ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, চট্টগ্রাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক শ্রীমতি রীতা দত্ত, প্রাক্তন সভাপতি, সারদা সংঘ, চট্টগ্রাম; শ্রীপ্রশান্ত কুমার মন্ডল, প্রভাষক, সংস্কৃত বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; শ্রীদেব্রত দাশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), রাঙ্গুনিয়া; প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার দেব, সহ-সভাপতি এবং শ্রীসৌমেন চক্রবর্ত্তী, সম্পাদক, শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, রাঙ্গুনিয়া। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী রামকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, সর্বধর্মসমন্বয়ের বাণী ও মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
আলোচনা সভা শেষে ভক্তদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। আয়োজকরা জানান, এ পর্বটি ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে উঠবে।
বিকেল ৪টায় শুরু হবে ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান। স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা শ্রী রামকৃষ্ণের বন্দনা ও ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশন করবেন। ভক্তিমুখর এই আয়োজন মন্দির প্রাঙ্গণকে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহে রূপান্তরিত করবে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হবে সান্ধ্যকালীন প্রার্থনা। এতে উপস্থিত সকল ভক্ত একযোগে প্রার্থনায় অংশ নিয়ে শ্রী রামকৃষ্ণের আশীর্বাদ কামনা করবেন।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই জন্মোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং আধ্যাত্মিক জাগরণ, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সামাজিক সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হবে। রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে দিনটি হয়ে উঠবে স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জন্মোৎসব উপলক্ষে ইতোমধ্যে সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মন্দির ও আশ্রম চত্বর আলোকসজ্জা ও ফুলের সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক দল দায়িত্ব পালন করবে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ধর্মীয় এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক ভক্ত আগেভাগেই মানত ও বিশেষ পূজার নিবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। আয়োজকদের মতে, শ্রী রামকৃষ্ণের সার্বজনীন বাণী— “যতো মত, ততো পথ”— আজও মানবসমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতার বার্তা বহন করে। তাঁর জীবন ও সাধনা কেবল ধর্মীয় পরিমণ্ডলে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবকল্যাণ, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক জাগরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উল্লেখ্য, উনবিংশ শতাব্দীর এই মহান আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ভারতীয় ধর্মচিন্তায় এক নবজাগরণের সূচনা করেন। তাঁর আদর্শ ও দর্শনকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দেন তাঁর শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রামকৃষ্ণ মিশন তাঁর আদর্শ প্রচার ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

রাঙ্গুনিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমও দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, শিক্ষা ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে স্থানীয় সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। জন্মোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি ভক্তদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে, ভক্তি, জ্ঞান ও সেবার সমন্বয়ে আয়োজিত এই জন্মোৎসব রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য হয়ে উঠবে এক অনন্য আধ্যাত্মিক মিলনমেলা।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববরেণ্য সাধক শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস–এর ১৯১তম শুভ জন্মোৎসব। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পাঠ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে আয়োজিত হবে এ মহতী অনুষ্ঠান।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হবে। প্রভাতের নির্মল পরিবেশে মন্দির প্রাঙ্গণ ভরে উঠবে ভক্তদের স্তব-প্রার্থনায়। এরপর পর্যায়ক্রমে বেদ পাঠ, শ্রীশ্রী চণ্ডী পাঠ ও শ্রীশ্রী গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের মতে, এসব ধর্মীয় পাঠ উপস্থিত ভক্তদের মাঝে আধ্যাত্মিক শুদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি ও নৈতিক চেতনা জাগ্রত করবে।
সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা। এবারের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— “বিশ্ব চেতনায় শ্রীরামকৃষ্ণ”। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, অধ্যক্ষ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, চট্টগ্রাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক শ্রীমতি রীতা দত্ত, প্রাক্তন সভাপতি, সারদা সংঘ, চট্টগ্রাম; শ্রীপ্রশান্ত কুমার মন্ডল, প্রভাষক, সংস্কৃত বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; শ্রীদেব্রত দাশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), রাঙ্গুনিয়া; প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার দেব, সহ-সভাপতি এবং শ্রীসৌমেন চক্রবর্ত্তী, সম্পাদক, শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, রাঙ্গুনিয়া। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী রামকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, সর্বধর্মসমন্বয়ের বাণী ও মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
আলোচনা সভা শেষে ভক্তদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। আয়োজকরা জানান, এ পর্বটি ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে উঠবে।
বিকেল ৪টায় শুরু হবে ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান। স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা শ্রী রামকৃষ্ণের বন্দনা ও ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশন করবেন। ভক্তিমুখর এই আয়োজন মন্দির প্রাঙ্গণকে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহে রূপান্তরিত করবে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হবে সান্ধ্যকালীন প্রার্থনা। এতে উপস্থিত সকল ভক্ত একযোগে প্রার্থনায় অংশ নিয়ে শ্রী রামকৃষ্ণের আশীর্বাদ কামনা করবেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই জন্মোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং আধ্যাত্মিক জাগরণ, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সামাজিক সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হবে। রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে দিনটি হয়ে উঠবে স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

লোহাগাড়ায় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ–বাংলাদেশ, লোহাগাড়া উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত ২২ মে পদুয়া করুণাময়ী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শাখার সভাপতি পলাশ দাশ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক খোকন সুশীল। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও শিল্পপতি বাবুল ঘোষ (বাবুন)। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বেসরকারি কারা পরিদর্শক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি জিতেন গুহ, উপজেলা শাখার উপদেষ্টা শিক্ষক সুনীল কুমার চৌধুরী (বিএসসি), ডা. রিটন দাশ, শিক্ষক প্রদীপ কুমার চৌধুরী, প্রসেনজিৎ পাল, শিক্ষক অসীম কুমার দাশ, শিবপদ চৌধুরী, উজ্জ্বল মজুমদার (বাবলা), শিক্ষক রিটন বিশ্বাস, সোনারাম জলদাশ, শিক্ষক সুমন মজুমদার হিরো, শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ এবং অধ্যাপক বাবলু শংকর নাথসহ আরও অনেকে। এছাড়াও উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরের নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে অংশ নেন। বক্তারা সনাতন ধর্মীয় উৎসবসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং তরুণ প্রজন্মকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে রাজু ধর রাজকে সভাপতি, রনজিত দাশ নটুকে সাধারণ সম্পাদক এবং শিক্ষক বাবলু কান্তি হাজারীকে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। নবগঠিত কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবুল ঘোষ (বাবুন) আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট