1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অভিযানে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এএসআই রুপম দে’র মৃত্যু ৫৩১ বছরের ঐতিহ্যে মুখর শেখরনগর, ইছামতীর তীরে কালীপূজায় ভক্তসমাগম মঠবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী বৃন্তিকা প্রমী’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কারণ অজানা ফটিকছড়িতে দগ্ধ সীমা দাসের পাশে মানবিক সহায়তা, আবারও অর্থ পৌঁছে দিলেন অন্তর রায়। বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় অপর্ণা রায় দাস। শ্রীমঙ্গলে শ্রীরাম নবমী উদযাপন, পুষ্পাঞ্জলি ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখরিত হবে দিন। দক্ষিণ কাট্টলীতে ৯৪ বছরের ঐতিহ্যে শুরু হচ্ছে বাসন্তী পূজা মাস্টারদা সূর্য সেনের জন্মবার্ষিকী আজ: স্বাধীনতার অগ্নিযুগের এক অমর নায়কের স্মরণে জাতি। রামনবমী উপলক্ষে গোঁসাইপাড়ায় তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় আয়োজন। ত্রিপুরা পরিবারের আচার-সংস্কৃতিতে প্রত্যাবর্তন, রথিচন্দ্র কারবারি পাড়ায় মন্দির স্থাপন।

কুম্ভমেলায় ২৩ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন মাজারে নিমন্ত্রণ জানালেন শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ পুরী মহারাজ।

নিজস্ব প্রতিবেদন : জয় দাশ | চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

কুম্ভমেলা কেবল একটি ধর্মীয় সমাবেশ নয়, এটি ভারতীয় উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য ও মানবিক মিলনের এক মহামঞ্চ। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কোকদণ্ডী ইউনিয়নের ধর্মিষ্ঠান আশ্রমে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ মেলা ২০২৬।
এই মহোৎসবকে ঘিরে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিতে ঋষিধামের মোহন্ত শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ পুরী মহারাজ বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক পরিমণ্ডলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে একাধিক মাজারে আনুষ্ঠানিক নিমন্ত্রণ প্রদান করেন। তাঁর এই উদ্যোগ সর্বধর্ম সমন্বয় ও মানবিক সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জগৎগুরু শিবকল্পতরু শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ প্রবর্তিত এই ঋষিকুম্ভ মেলার মূল দর্শন ছিল মানবকল্যাণ ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা। তাঁর জীবদ্দশায় হিন্দু সাধু সন্ন্যাসীদের পাশাপাশি মুসলিম ফকির দরবেশ, সন্ত ও বিভিন্ন মতের সাধক পুরুষদের সঙ্গে গভীর আধ্যাত্মিক সম্পর্ক ও যোগসূত্র বিদ্যমান ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, আধ্যাত্মিক সাধনার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো বিভেদ ভুলে মানবতার জয়গান করা। সেই আদর্শ অনুসরণ করেই কুম্ভমেলার মতো সর্বজনীন ধর্মীয় আয়োজনে সকল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রথা চালু হয়।

ঋষিকুম্ভ মেলা মূলত সাধনা, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির এক মহোৎসব। ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দীক্ষাদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাপ্ত এই মেলায় প্রতিদিন ধর্মীয় সভা, পূজা-পাঠ, সৎসঙ্গ, নামসংকীর্তন, বিশ্বশান্তি কামনায় যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ ও ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলায় হিন্দু, মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্ম ও মতের সাধকগণ অংশগ্রহণ করে থাকেন যা এই আয়োজনকে সর্বজনীন ও সর্বধর্মীয় রূপ দিয়েছে।

শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজের মানসপুত্র, আধ্যাত্মিক জগতের শিরোমণি শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজও তাঁর গুরুর প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে আজীবন এই সম্প্রীতির ধারা বজায় রেখেছেন। তাঁর কর্মজীবনেও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে।
বর্তমানে ঋষিধামের মোহন্ত শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ পুরী মহারাজ সেই মহান আদর্শকে ধারণ করেই ঋষিকুম্ভ মেলা ২০২৬ আয়োজন করছেন। কুম্ভমেলা উপলক্ষে বিভিন্ন মাজারে নিমন্ত্রণ প্রদান তাঁর উদার, মানবিক ও সর্বধর্ম সমন্বয়মূলক দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন। এই উদ্যোগ আধ্যাত্মিক জগতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট