রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাসহ সহিংসতার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রংপুরের হত্যাকাণ্ডকে রহস্যজনক দাবি করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদের পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন

লালমনিরহাট কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর: হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

গত, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি মঙ্গলবার লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়নের গাণ্ডার পাড়ে অবস্থিত সর্বজনীন কালী মন্দিরে আজ সকাল অনুমানিক ৯ ঘটিকায় দুর্বৃত্তদের হাতে মা কালীর প্রতীমা ভাঙচুরের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা, যা কেবল মন্দির বা প্রতীমার ক্ষতি নয়, বরং হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখা যায়।

 

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, সম্প্রতি দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনার ওপর পরিকল্পিত হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন নয়, এটি সামাজিক শান্তি ও সহমর্মিতার প্রতি ধাক্কা। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষরা আজকের ঘটনার পরে শোক ও আতঙ্কে ভুগছেন।

 

প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে, স্থানীয় হিন্দু সমাজ, মন্দির পরিচালনা কমিটি ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন প্রশাসনের কাছে জোর দাবি তুলেছে, অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। “সত্য সনাতন টিভি”

 

 

মন্দির কমিটির সদস্যরা বলেন, “এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই আইনের শাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতা যেন রক্ষা হয়।”

 

এদিকে, কালীগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে যে, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ধর্মীয় স্থাপনার উপর হামলা শুধু ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, এটি একটি সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারী তৎপরতা এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews