বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

লালমনিরহাট কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর: হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

গত, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি মঙ্গলবার লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়নের গাণ্ডার পাড়ে অবস্থিত সর্বজনীন কালী মন্দিরে আজ সকাল অনুমানিক ৯ ঘটিকায় দুর্বৃত্তদের হাতে মা কালীর প্রতীমা ভাঙচুরের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা, যা কেবল মন্দির বা প্রতীমার ক্ষতি নয়, বরং হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখা যায়।

 

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, সম্প্রতি দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনার ওপর পরিকল্পিত হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন নয়, এটি সামাজিক শান্তি ও সহমর্মিতার প্রতি ধাক্কা। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষরা আজকের ঘটনার পরে শোক ও আতঙ্কে ভুগছেন।

 

প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে, স্থানীয় হিন্দু সমাজ, মন্দির পরিচালনা কমিটি ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন প্রশাসনের কাছে জোর দাবি তুলেছে, অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। “সত্য সনাতন টিভি”

 

 

মন্দির কমিটির সদস্যরা বলেন, “এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই আইনের শাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতা যেন রক্ষা হয়।”

 

এদিকে, কালীগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে যে, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ধর্মীয় স্থাপনার উপর হামলা শুধু ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, এটি একটি সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারী তৎপরতা এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews