রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার নিখোঁজের দুই দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন

প্রেমের টানে ঘড় বাঁধলেন তজিম্মুদ্দিন থানার দুই সনাতনী তরুণ তরুণী।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

ভোলা জেলার তজুমুদ্দিন উপজেলায় ভালোবাসার টানে পারিবারিক বাধা উপেক্ষা করে সনাতন ধর্মের দুই তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তবে এই প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের আইনসম্মত ও ধর্মীয় উপায়ে সম্পন্ন হওয়া বিয়েকে কেন্দ্র করে কনের পরিবার চরম বিরোধিতা শুরু করেছে, যা নিয়ে বর্তমানে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ডাইয়ার পাড় গ্রামের বাবুল চন্দ্র শীল ও লিলু রানী শীলের পুত্র সাগর চন্দ্র শীল এবং গোলকপুর গ্রামের জয়দেব হাওলাদার ও দূর্গা মনি হাওলাদারের কন্যা দিপু মনি হাওলাদার দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন। প্রাপ্তবয়স্ক এই দুই তরুণ-তরুণী নিজেদের অধিকার ও পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে সামাজিক ও পারিবারিক বাধা উপেক্ষা করে বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন এবং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

 

কিন্তু প্রেমের সফল পরিণতি ও তাদের এই মৌলিক অধিকারকে মেনে নিতে নারাজ কনের পরিবার। বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কনের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ ও বিরোধিতা প্রকাশ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই বিয়েকে কেন্দ্র করে কনের পরিবারের পক্ষ থেকে বরের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্ক দুটি মানুষের নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার থাকা সত্ত্বেও, কনের পরিবারের এমন অনড় ও প্রতিহিংসামূলক অবস্থানে বরের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের মতে, সাগর ও দিপু মনির মধ্যকার প্রেমের বিষয়টি এলাকায় আগে থেকেই সবার জানা ছিল। তারা স্বেচ্ছায় এবং সজ্ঞানে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু বিয়ের পর কনের পরিবারের অতি-উৎসাহী ও বৈরী মনোভাবের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং তরুণ-তরুণীর জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

পারিবারিক ও সামাজিক অধিকারের এই স্পর্শকাতর ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা পদক্ষেপের কথা জানা যায়নি। তবে ভুক্তভোগী বরের পরিবার ও স্থানীয় সচেতন সনাতনী সমাজ আশা করছেন, প্রশাসন কোনো ধরণের অন্যায় চাপ বা মামলার নামে হয়রানির মুখে না পড়ে তরুণ-তরুণীর আইনি ও মানবাধিকার রক্ষা করতে যথাযথ ভূমিকা পালন করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews