বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের অবসান: নোয়াখালীতে ভেঙে ফেলা হলো ৫০০ বছরের প্রাচীন সমাধি-মঠ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শরীয়তপুরে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব পেকুয়ায় বন্যার্তদের দ্বিতীয় দফায় শুকনো খাবার বিতরণ আগামীকাল রথযাত্রা, ভক্তদের টানে পথে নামেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা ফরিদপুরে রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ইসকনের উদ্যোগে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ‌মহোৎসব শুরু ১৬ জুলাই জয় শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’–এর উদ্যোগে রংপুরের পীরগঞ্জে মহতী শ্রীগীতা দান অনুষ্ঠান টিউশনির বকেয়া টাকা চাইতেই শিক্ষক সিঁথি সীমিতার ওপর নৃশংস হামলা এইচএসসি পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় আত্মহত্যা, রাজশাহীতে প্রাণ হারালেন দিশা রানী মহন্ত বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে প্রবীণের দুই আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগ: নরসিংদী পৌরসভায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন

শরীয়তপুরে মন্দির কমিটির দীর্ঘদিনের বিরোধ মিটলো শান্তিপূর্ণভাবে।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের দুটি মন্দির কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধ শেষ হয়েছে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এটি সমাধান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

 

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা, স্থানীয় সুধীজন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিটি পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা, পূজা-পার্বণের সময়সূচি এবং মন্দির ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিরোধ সমাধান করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ হলইপট্টি শ্রী শ্রী কান্তি বাসন্তি পূজা মন্দির ও শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ দুর্গা মন্দির কমিটির মধ্যে পূর্বে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ চলছিল। একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়নি।

 

মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বৈঠকে উপস্থিত থেকে বলেন, “আমাকে সম্প্রতি শরীয়তপুরবাসীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি, আজকের এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হবে। আমরা আগামীতে কোনো ধরনের হিংসা বা প্রতিশোধের ঘটনা হতে দেব না। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে এক পরিবারের মতো মান্য করে শরীয়তপুরকে একটি গর্বিত জেলা হিসেবে গড়ে তুলব।”

 

মন্দির কমিটির নেতারা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় ভবিষ্যতে ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালিত হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews