রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার নিখোঁজের দুই দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন

নতুন সনাতনী ধর্মীয় ব্যান্ড “পার্থ সারথি”-র আত্মপ্রকাশ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

গত ৩০শে অক্টোবর ২০২৫ ইংরেজি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পাঠনিকোটা শ্রীশ্রী জ্বালামারি মায়ের মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত জগদ্ধাত্রী পূজায় এক অনন্য সঙ্গীতধারার সূচনা ঘটে। সেই দিনই আত্মপ্রকাশ করে নতুন সনাতনী ধর্মীয় ব্যান্ড “পার্থ সারথি”।

 

ব্যান্ডটির উদ্দেশ্য কেবল সংগীত পরিবেশন নয় বরং এক গভীর ধর্মীয় ও সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। পূজা মণ্ডপগুলোতে দিন দিন আপত্তিকর গানের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে, টিম পার্থ সারথি প্রতিজ্ঞা করেছে সেই প্রবণতা রোধ করে সনাতন ধর্মের আধ্যাত্মিক, ভক্তিমূলক ও শাস্ত্রসম্মত গানের মাধ্যমে পূজার আসল সাত্ত্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। তাদের মূল বার্তা

“আধ্যাত্মিক গানে ও আনন্দ উল্লাসে পূজা উদযাপন সম্ভব, যদি মন থাকে ধর্মে ও ভক্তিতে।”

 

ব্যান্ডের সদস্যবৃন্দরা হলেন, কণ্ঠে মিশন দও সপু, জিত বিশ্বাস, বাবু দাশ মিউজিসিয়ান রাজীব দাশ

অক্টোপ্যাডে এস এম জয় ড্রামসে রকি আচার্য (নঙ্গর রকি)গিটারে জয় ধর, রাতুল দাশ ও শ্রীখোলে প্রান্ত মল্লিক।

 

 

ব্যান্ডটির অন্যতম মুখ বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী মিশন দও সপু, যার কণ্ঠে শাস্ত্রীয় ও ভক্তিমূলক সংগীতের এক নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি উদীয়মান শিল্পী জিত বিশ্বাস অনুজিত ও বাবু দাশ তাদের উদ্যম ও ভক্তিভাব দিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

 

“পার্থ সারথি”-র পরিবেশনায় ঐদিন মণ্ডপজুড়ে ভক্তিমূলক আবহ তৈরি হয়। দর্শকরা উপভোগ করেছেন সনাতনী বাদ্যযন্ত্রের সুমিলিত সুর, ভজন, নামসংকীর্তন ও আধুনিক উপস্থাপনার এক অনন্য সংমিশ্রণ।

 

ব্যান্ডটির সদস্যরা জানান,“আমাদের উদ্দেশ্য কেবল গান গাওয়া নয় আমরা চাই মানুষ আবার ধর্মীয় গানে আনন্দ খুঁজে পাক। পূজার মানে শুধু উৎসব নয়, এটি আত্মিক আনন্দের উৎসব।”

 

এই ব্যান্ডের মাধ্যমে এক নতুন ধর্মীয়-সংগীত আন্দোলনের সূচনা হলো, যা ভবিষ্যতে সনাতন সংস্কৃতির শিকড়কে আরও দৃঢ় করবে এমনটাই আশা স্থানীয় পূজা উদ্যোক্তা ও দর্শকদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews