মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের রথযাত্রায় রাধা-কৃষ্ণের রূপে দুই তরুণী, ভাইরাল ছবি শোকের মধ্যেও থামেনি দায়িত্ব, বাবার পথ ধরে হবিষ্যান্নের পোশাকেই অজগর উদ্ধার করলেন ছেলে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের রথযাত্রা মহোৎসব সাদুল্লাপুরে অর্ধশত কণ্ঠে গীতা পাঠ ও রাধাকৃষ্ণ লীলা কীর্তন হরিদাস চন্দ্রের মুক্তির দাবিতে ঐক্য পরিষদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ রথযাত্রার আয়োজন শেষে বন্যার্তদের পাশে বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোট বাঁশখালী উপজেলা শাখা বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে চট্টগ্রামে রথযাত্রায় বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোটের অংশগ্রহণ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অনন্য কৃতিত্ব: ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল বরগুনার যমজ তিন বোন রথযাত্রায় তৃষ্ণার্ত পুণ্যার্থীদের হাতে পানির বোতল তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আরমান হোসেন রথযাত্রায় পরিবারের সদস্যরা, বাসায় একা ছিলেন গৃহবধূ; ঝালকাঠিতে মলিনা রায়ের মরদেহ উদ্ধার

আজ ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

শহিদ নীরেন্দ্রনাথ দত্ত তৎকালীন বাংলা প্রদেশের ত্রিপুরা জেলার রামরাইল গ্রামে ২রা নভেম্বর ১৮৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন কসবা ও নবীনগর মুন্সেফ আদালতের সেরেস্তাদার। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পড়াশোনা করেছেন কুমিল্লা জিলা স্কুল,কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ,এবং কলকাতা সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। তিনি ১৯০৪ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা,১৯০৬সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এফ.এ ১৯১০সালে একই কলেজ হতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে বি.এ এবং ১৯১০সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন। “সত্য সনাতন টিভি”

 

তিনি ছিলেন একজন বাঙালি আইনজীবী,সমাজকর্মী ও ভাষা সৈনিক। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত রাজনীতিবিদ হিসাবে। দেশ বিভাগের পূর্বে ভারতীয় উপমহাদেশেন এবং দেশ বিভাগের পরে পূর্ব পাকিস্তানে তিনি রাজনীতিবিদ হিসাবে সক্রিয় ছিলেন। ছাত্রজীবনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত তৎকালীন কুমিল্লা মহকুমার মুরাদনগর থানার পূর্বধইর গ্রামের কৃষ্ণকমল দাসমুন্সীর কন্যা সুরবালা দাসকে বিয়ে করেন। কৃষ্ণকমল পেশায় ছিলেন আইনজীবী। বিয়ের সময় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বয়স ছিল মাএ একুশ বছর এবং সুরবালার চৌদ্দ। দীর্ঘ ৪৩ বছর দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে ১২ই আগষ্ট ১৯৪৯ সালে সুরবালার মৃত্যুতে। “সত্য সনাতন টিভি”

 

তাদের সাত মেয়ে ও দুই ছেলে জন্মগ্রহণ করে।

তিনি প্রায় একবছরকাল কুমিল্লার মুরাদনগর বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন ও পরবর্তীতে আইনজীবী হিসেবে ১৯১১ সালে তিনি ত্রিপুরা জেলা বারে (বর্তমান কুমিল্লা জেলা বার) যোগদান করেন। তিনি ১৯০৭ সালে ‘ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা’র সচিব নির্বাচিত হন এবং ১৯১৫ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের কাজে অংশগ্রহণ করেন। মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি ‘মুক্তি সংঘ’ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। কুমিল্লার সুপরিচিত জাতীয়তাবাদী সংগঠন অভয় আশ্রম -এর কর্মকাণ্ডের সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন এবং ১৯৩৬ সালে ত্রিপুরা (বর্তমানে কুমিল্লা) জেলা বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের সময় ত্রাণসামগ্রী বিতরণে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। “সত্য সনাতন টিভি”

 

মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে ২৯শে মার্চ ১৯৭১ সালে তিনি শহিদ হন।

বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসাধারণ অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার” হিসাবে তাকে “ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনে স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়। “সত্য সনাতন টিভি”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews