রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাসহ সহিংসতার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রংপুরের হত্যাকাণ্ডকে রহস্যজনক দাবি করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদের পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন

নোয়াখালীতে সড়কে সুব্রত চন্দ্র দাস হত্যা মামলার মূল আসামী গ্রেফতার।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৮১ বার পড়া হয়েছে

 

নোয়াখালী জেলার চরজব্বর থানাধীন পশ্চিম চরজুবলী এলাকায় সংঘটিত সুব্রত চন্দ্র দাস হত্যার রহস্য উন্মোচনসহ মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে চরজব্বর থানা পুলিশ।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ইংরেজি সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে চরজুবলী ইউনিয়নের পশ্চিম চরজুবলী এলাকায় রাজ্জাক সওদাগরের ধানী জমির পাশের পাকা রাস্তায় সুব্রত চন্দ্র দাস (৪৭) এর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পিতা চিরু রঞ্জন দাস এবং মাতা প্রীতি রানী দাস। এ ঘটনায় চরজব্বর থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

 

মামলার পরপরই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ-আল-ফারুকের দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে চরজব্বর থানা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। তদন্ত ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী হিসেবে নূর মোহাম্মদ (৫৭)-কে শনাক্ত করে। তিনি মৃত আলী আহম্মদ ও রূপোষা বেগমের পুত্র, মধ্যম বাগ্যা গ্রামের বাসিন্দা, ৪নং ওয়ার্ড, চরজুবলী ইউনিয়ন, চরজব্বর থানা, নোয়াখালী।

 

পুলিশের অভিযানিক দল ১৬ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১টা ৫ মিনিটে নোয়াখালীর সুধারাম থানার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যমতে পূর্ব শুল্ল্যুকিয়া এলাকার জসিম ড্রাইভারের ঘর থেকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে নূর মোহাম্মদ স্বীকার করেন, ঘটনার দিন (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নিজের মোটরসাইকেলে ভাগিনা ফয়সাল (১০)-কে নিয়ে গাছ কাটার শ্রমিকদের খাবার দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় ভিকটিম সুব্রত চন্দ্র দাস তার স্ত্রী রিক্তা দাসকে আনতে ভূইয়ার হাটে যাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে একটি সিএনজিকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী মোটরসাইকেল দেখে হঠাৎ ব্রেক করলে সুব্রত মোটরসাইকেলসহ পড়ে যান। সেই মুহূর্তে নূর মোহাম্মদের মোটরসাইকেলটি তার উপর দিয়ে চলে যায়, এতে স্ট্যান্ড ও বাম্পারের আঘাতে গলা কেটে ঘটনাস্থলেই সুব্রতের মৃত্যু হয়।

 

পুলিশ জানায়, তিনজন প্রত্যক্ষদর্শীও একই বিবরণ দিয়েছেন। আসামী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

এদিকে, পুলিশ জানায়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঘটনাটিকে “প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা” বলে প্রচার করা হয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে বিভ্রান্তিকর ও অনভিপ্রেত। পুলিশ জনগণকে গুজব বা অপতথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews