শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি নারায়ণগঞ্জের দলিত হরিজন সম্প্রদায় থেকে উঠে এসে জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মান অর্জন চট্টগ্রামে শ্মশান কালী মন্দিরে চুরি, স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট ওসির দাপটে দিশেহারা সংখ্যালঘু পরিবার আদিনাথ মন্দির সংলগ্ন পাহাড়ে অভিযান: অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কয়েকজন পুলিশের কাছে সোপর্দ ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী সিদ্ধিরগঞ্জ শ্মশানের পক্ষে আদালতের রায়, উন্নয়নকাজে আর বাধা নেই মাহিলারা সরকার মঠ: ইতিহাস, স্থাপত্য ও লোকবিশ্বাসের অনন্য সাক্ষী সূর্য সেনের সহযোদ্ধা অনুরূপচন্দ্র: ইতিহাসের আড়ালে থাকা এক বিপ্লবীর গল্প ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপ্ত রায় গ্রেপ্তার; বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার অভিযো

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা প্রতিনিধি

ধর্মীয় স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্রীরাম ও ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি নির্মাণ–সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ, বাংলাদেশ।

 

আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংগঠনটির প্রতিনিধিরা স্মারকলিপি জমা দেন। পরে তারা জানান, দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। সেই আলোকে ধর্মীয় উপাসনা, আচার-অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য বা প্রতিবন্ধকতা থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সত্য সনাতন টিভি

 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভগবান শ্রীরাম ও ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক ও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। তারা মনে করেন, সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার অনুযায়ী ধর্মীয় প্রতীক ও উপাসনালয় নির্মাণের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

 

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, উপাসনালয়ে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করা হয়।

 

ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ, বাংলাদেশের নেতারা বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে সংগঠনের কয়েকজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ন্যায়সঙ্গত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews