বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় পাঁচ দিনের ছুটিকে স্বাগত জানালেন বিপ্লব দে পার্থ পিতৃপক্ষে কেন পূর্বপুরুষদের স্মরণে শ্রদ্ধা-তর্পণ করা হয় দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়িয়ে শুক্র, শনি সহ ছুটি থাকছে ৫ দিন খাগড়াছড়িতে দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মিরসরাইয়ে অবসর নেওয়া শিক্ষককে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি পৌঁছে দিল শিক্ষার্থীরা সাইকেলে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে রাঙামাটির বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ভেদরগঞ্জে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রশাসন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা হিন্দু ছাত্র মহাজোটের ৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা শত বাধা পেরিয়ে হরিজন পল্লীর কৃষ্ণা রানী এখন সফল উদ্যোক্তা

গাবতলীতে গৃহবধূ রিতা মজুমদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় হিন্দু গৃহবধূ রিতা মজুমদারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জমি বিক্রির টাকা লুটের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে বগুড়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাবতলী উপজেলার মমিনহাটা পূর্বপাড়ার ফরিদ প্রামানিকের ছেলে শাওন মিয়া (২০) এবং একই এলাকার মোকলেছের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনেই পেশায় দিনমজুর।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মে রাতে রিতা মজুমদার ও তাঁর স্বামী বিধান মজুমদার রাতের খাবার শেষে আলাদা কক্ষে ঘুমাতে যান। রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে একটি শব্দে বিধান মজুমদারের ঘুম ভেঙে যায়। কিছুক্ষণ পর স্ত্রীর কক্ষ থেকে চিৎকার শুনে তিনি দ্রুত সেখানে ছুটে যান।

 

ঘরে ঢুকে তিনি দেখেন, কক্ষের দরজা খোলা এবং রিতা মজুমদার রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। তাঁর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

ঘটনার পর গাবতলী থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন অনুসন্ধানের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে শনিবার রাতে শাওন মিয়াকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং সহযোগী হিসেবে আনোয়ার হোসেনের নাম জানান। পরে অভিযান চালিয়ে আনোয়ারকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, আনোয়ার ও শাওন একসঙ্গে দিনমজুরের কাজ করতেন। প্রায় ১০ দিন আগে আনোয়ার জানতে পারেন, রিতা মজুমদারের বাড়িতে জমি বিক্রির বিপুল পরিমাণ টাকা রয়েছে। এরপর তাঁরা ওই টাকা লুটের পরিকল্পনা করেন।

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে আনোয়ার দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিতা মজুমদারের গলায় কোপ দেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

 

পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ধারালো অস্ত্র ঘটনার পর বধারবাড়ী বিলের কচুরিপানার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews