
মাদারীপুরের পুরাণ বাজার এলাকার একজন সাধারণ সেলুন ব্যবসায়ী চন্দন বণিককে সম্প্রতি পদ্মা সেতু এলাকায় গাছ কাটার ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অবান্তর ও ভিত্তিহীন।
চন্দন বণিক দীর্ঘদিন ধরে পুরাণ বাজার এলাকায় নাপিতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সংসার চলে অত্যন্ত কষ্টে। তার পিতা-মাতা কেউই জীবিত নেই; নিজের শ্রমই তার একমাত্র অবলম্বন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, চন্দনের মতো একজন সাধারণ ও নিরীহ পেশাজীবীর পক্ষে পদ্মা সেতুর মতো সংবেদনশীল এলাকায় গিয়ে কোনো ধরনের অরাজক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ানো বাস্তবসম্মত নয়। “সত্য সনাতন টিভি”
পারিবারিক সূত্র জানায়, চন্দন বণিকের সঙ্গে একটি জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই তাকে পরিকল্পিতভাবে একটি মামলায় জড়িয়ে ফাঁসানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই এটিকে প্রতিহিংসামূলক ঘটনা বলে মনে করছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, চন্দন বণিক বর্তমান কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা বা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। একজন অসহায়, এতিম ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে এভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে তারা মন্তব্য করেন। “সত্য সনাতন টিভি”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও স্বজনরা নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে চন্দন বণিককে হয়রানি থেকে মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।