সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গীতা ও নৈতিক শিক্ষায় নতুন প্রজন্ম গড়ছেন তাপস দাশ দুই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন বান্দরবানে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় রাধা-কৃষ্ণের সাজে নজর কাড়ল দুই তরুণী জন্মাষ্টমীতে হিন্দু মহাজোটের দিনব্যাপী কর্মসূচি, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত আসনের দাবি জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ চিত্রায়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উদযাপন বগুড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা ভারতে সন্ন্যাসব্রত সংস্কার শেষে ঋষিধামে ফিরলেন স্বামী কৃপানন্দ পুরী চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহা-শোভাযাত্রা শরীয়তপুরে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস খাওয়ানোর অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উদযাপন

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদন :  জবি প্রতিনিধি | সত্য সনাতন টিভি

 

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর ধর্মীয় তাৎপর্য ও জীবনাদর্শকে ধারণ করে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জন্মাষ্টমী উদযাপন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।

 

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ শোভাযাত্রা, পূজা-অর্চনা, কীর্তন ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

 

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও বর্ষের সনাতনী শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শোভাযাত্রায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এতে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দ ও উৎসবের আবহ।

 

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও সহাবস্থানের জায়গা। ধর্মীয় পরিচয় যার যার নিজস্ব বিষয় হলেও একে অন্যের ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখানো সবার দায়িত্ব। জন্মাষ্টমীর আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা শান্তি, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই।”

 

এদিকে জন্মাষ্টমী উদযাপনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ সনাতনী শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের জন্য কেন্দ্রীয় মন্দিরটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেলে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

 

সনাতনী শিক্ষার্থীরা বলেন, জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি নিজেদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সংযোগ তৈরিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধর্মের শিক্ষার্থীরা যেন নিজ নিজ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

 

তারা আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চর্চা একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্মাষ্টমীর এই আয়োজন সেই সম্প্রীতির বার্তাকেই আরও জোরালো করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews