1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. sourav@gmail.com : সৌরভ কর্মকার : সৌরভ কর্মকার
  3. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় চক্রশালায় ছিনতাইকারী দলের হামলা: ছুরিকাঘাতে হিন্দু যুবক নিহত, আহত আরও একজন সুনামগঞ্জে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনের দাবি দিঘীনালায় পুরুষোত্তম মাস উপলক্ষে মঙ্গল দীপ প্রজ্বলন ও নাম সংকীর্তন দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে নিঃশেষ আগারওয়াল পরিবার, এক সপ্তাহেই ৯ জনের মৃত্যু ফরিদপুরে বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে ভক্তদের মধ্যে শরবত বিতরণ ইসরাইলে স্থাপিত হবে ছত্রপতি শিবাজির বিশাল ভাস্কর্য রাউজানের মাটির ঘরেই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ইসকনের যাত্রা নিয়ামতপুরে বীর শহীদ বিরসা মুন্ডার ১২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি জবির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজনগরে শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধামে সাতদিনব্যাপী মহানামযজ্ঞ সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টর : রিংকু দাশ
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার তারাপাশায় অবস্থিত শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম-এ সাতদিনব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও বার্ষিক ৪০ প্রহর নামসংকীর্তন মহোৎসব শেষ হয়েছে। গত ১ মার্চ শুরু হওয়া এই ধর্মীয় আয়োজন ৭ মার্চ রোজ শনিবার ভক্তদের সমবেত প্রার্থনা ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

 

আয়োজকদের ভাষ্য, উৎসব উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও হাজারো ভক্ত ধামে সমবেত হন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হরিনাম সংকীর্তন, পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আলোচনা চলেছে। কীর্তনের ধ্বনি, ঘণ্টা-শঙ্খের শব্দ ও ভক্তদের সমবেত প্রার্থনায় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

 

বিশেষ করে ৪, ৫ ও ৬ মার্চ মহাভোগ নিবেদনের দিনগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতি বেশি ছিল। ওই দিনগুলোতে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং ভক্তরা একসঙ্গে অংশ নেন নামসংকীর্তন ও প্রার্থনায়।

 

ধাম পরিচালনা কমিটির সদস্যরা সত্য সনাতন টিভিকে জানান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এই ধামে প্রতিদিনই ধর্মীয় আচার, পিণ্ডদান, শ্রাদ্ধ ও নামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানে ভগবান বিষ্ণুর পদচিহ্ন রয়েছে, তাই এটি বিশেষ পুণ্যস্থান হিসেবে বিবেচিত।

 

এবারের মহোৎসবে ধাম প্রাঙ্গণ আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। রাতের বেলায় রঙিন বাতি ও আলোয় মন্দির চত্বর আলোকিত হয়ে ওঠে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। উৎসব উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নানা কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়।

 

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মহোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। ভবিষ্যতেও এ আয়োজন আরও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তারা জানান।

 

উৎসব শেষে ভক্তদের অনেকেই বলেন, কয়েক দিনের এই নামযজ্ঞে অংশ নিয়ে তারা মানসিক শান্তি ও ভক্তির আনন্দ অনুভব করেছেন। সত্য সনাতন টিভি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট