1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুরাদনগরের আন্দিকূটে ৩২ প্রহরব্যাপী ৭২তম বর্ষ শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোটের ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন। বিদ্যাদায়িনী মার আরাধনায় NPS-এর সরস্বতী পূজা ১৪৩২, চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ৪র্থ বর্ষের আয়োজনে মহোৎসব। আদিনাথ মন্দিরে হিসাবরক্ষকের দ্বারা দূর থেকে আসা দর্শনার্থীদের হেনস্থার অভিযোগ ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটের মঘিয়া জমিদারবাড়ি। অমল কুমার চৌধুরী (মহিষাসুর)-এর চিরবিদায়: নিভে গেল এক বাঙ্গালীর মহালয়ারভোরের অট্টহাসির এক মুখ। চিকিৎসার অভাবে বিপন্ন নোয়াখালী সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্র প্রিতম। মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো মকর সংক্রান্তি। রাউজানে হিন্দু বসতঘরে অগ্নিসংযোগ, আরও ৬ জন গ্রেপ্তার, মোট আটক ৭ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খুলে ফেলা হলো সরস্বতী পূজার ব্যানার! ক্ষোভে ফুসছে সনাতনী শিক্ষার্থীরা।

ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটের মঘিয়া জমিদারবাড়ি।

নিজস্ব প্রতিবেদক : সত্য সনাতন টিভি | অনলাইন সংস্করণ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

 

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহাসিক মঘিয়া (মাঘিয়া) জমিদারবাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শতাব্দীপ্রাচীন এই জমিদারবাড়িটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর একটি। বিশেষ করে জমিদারবাড়ির ভেতরে থাকা মন্দির অংশটি অন্তত সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। সত্য সনাতন টিভি

 

মঘিয়া জমিদারবাড়ি ভৈরব ও বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মঘিয়া জমিদারবাড়ি’ নামেই পরিচিত। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই স্থাপনাটি শুধু একটি পুরোনো ভবন নয়; এটি ওই অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। সত্য সনাতন টিভি

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একসময় জমিদারবাড়িটি সংরক্ষণযোগ্য কি না তা যাচাই করতে সরেজমিন পরিদর্শন করেছিল। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসার আগেই বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা।

 

মঘিয়া এলাকার কয়েকজন হিন্দু বাসিন্দা বলেন, “জমিদারবাড়ির ভেতরের মন্দিরটি এখনো ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুরো স্থাপনা রক্ষা করা সম্ভব না হলেও অন্তত মন্দির অংশটুকু সংরক্ষণ করা হোক।” সত্য সনাতন টিভি

 

সচেতন মহল মনে করছেন, এভাবে একের পর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট হতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন থেকে বঞ্চিত হবে। তারা প্রশ্ন তুলছেন এভাবেই কি বাগেরহাট জেলার সংরক্ষণযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো হারিয়ে যাবে?

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মঘিয়া জমিদারবাড়ির অবশিষ্টাংশ, বিশেষ করে মন্দিরটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট