1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৪৬তম মহতী ধর্মসভা ও মহানামযজ্ঞে মুখর কক্সবাজার চাউল বাজার নিয়ামতপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে সাগর দাস ও রিদয় কুমার হবিগঞ্জে আইনজীবী শ্যামল দাসের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, শহরে আতঙ্ক দোল পূর্ণিমায় সারা দেশে ৫০১টি তুলসী বৃক্ষ রোপণের ঘোষণা হবিগঞ্জে কোটি টাকার কষ্টিপাথরের গিরিধারী শিলা চুরি চন্দনাইশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সানু ধর নামে এক যুবকের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে বাংলাদেশ গীতা পরিষদ এর উদ্যোগে গীতা প্রতিযোগিতার আয়োজন চাঁদপুরে হিন্দু বিয়েতে চাঁদা না দেওয়ায় হামলা, আহত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদ্বোধন হলো ‘শ্রীশ্রী দুর্গা গীতাপীঠ’ আনোয়ারায় নতুন দিগন্তের সূচনা। বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর আকবরশাহ থানা শ্রীশ্রী পবনপুত্র জয়ন্তী উপ-কমিটি ঘোষণা

ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটের মঘিয়া জমিদারবাড়ি।

নিজস্ব প্রতিবেদক : সত্য সনাতন টিভি | অনলাইন সংস্করণ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

 

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহাসিক মঘিয়া (মাঘিয়া) জমিদারবাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শতাব্দীপ্রাচীন এই জমিদারবাড়িটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর একটি। বিশেষ করে জমিদারবাড়ির ভেতরে থাকা মন্দির অংশটি অন্তত সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। সত্য সনাতন টিভি

 

মঘিয়া জমিদারবাড়ি ভৈরব ও বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মঘিয়া জমিদারবাড়ি’ নামেই পরিচিত। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই স্থাপনাটি শুধু একটি পুরোনো ভবন নয়; এটি ওই অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। সত্য সনাতন টিভি

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একসময় জমিদারবাড়িটি সংরক্ষণযোগ্য কি না তা যাচাই করতে সরেজমিন পরিদর্শন করেছিল। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসার আগেই বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা।

 

মঘিয়া এলাকার কয়েকজন হিন্দু বাসিন্দা বলেন, “জমিদারবাড়ির ভেতরের মন্দিরটি এখনো ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুরো স্থাপনা রক্ষা করা সম্ভব না হলেও অন্তত মন্দির অংশটুকু সংরক্ষণ করা হোক।” সত্য সনাতন টিভি

 

সচেতন মহল মনে করছেন, এভাবে একের পর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট হতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন থেকে বঞ্চিত হবে। তারা প্রশ্ন তুলছেন এভাবেই কি বাগেরহাট জেলার সংরক্ষণযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো হারিয়ে যাবে?

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মঘিয়া জমিদারবাড়ির অবশিষ্টাংশ, বিশেষ করে মন্দিরটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট