1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. sourav@gmail.com : সৌরভ কর্মকার : সৌরভ কর্মকার
  3. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বশান্তি কল্যাণে বাঁশখালীর ত্রিনাথ আশ্রমে গঙ্গাপূজা, মনসাপূজা ও মহানামযজ্ঞ ২৪-২৫ জুন গাইবান্ধায় শ্রীরামচন্দ্রের ছবি অবমাননায় বাংলাদেশ ইসকনের নিন্দা খাগড়াছড়িতে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে হিন্দু তরুণীর মৃত্যু গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষার্থীদের মৌন প্রতিবাদ প্রকাশ্যে ভগবান শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে ঢাবিতে প্রতিবাদের ডাক গাইবান্ধায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি স্কুলে খেলা-ধুলার সময় পড়ে আহত, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু শিবগঞ্জ উপজেলার নাম পরিবর্তনের ঘোষণা, নতুন নাম হতে যাচ্ছে ‘মহাস্থান উপজেলা’ টরন্টোতে বৈচিত্র্য ও সঙ্গীতের উৎসবে নজর কাড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় বোনের সুস্থতায় রাতভর মন্দিরে প্রার্থনা করেছিলেন হৃতিক

ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটের মঘিয়া জমিদারবাড়ি।

নিজস্ব প্রতিবেদক : সত্য সনাতন টিভি | অনলাইন সংস্করণ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

 

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহাসিক মঘিয়া (মাঘিয়া) জমিদারবাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শতাব্দীপ্রাচীন এই জমিদারবাড়িটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর একটি। বিশেষ করে জমিদারবাড়ির ভেতরে থাকা মন্দির অংশটি অন্তত সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। সত্য সনাতন টিভি

 

মঘিয়া জমিদারবাড়ি ভৈরব ও বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মঘিয়া জমিদারবাড়ি’ নামেই পরিচিত। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই স্থাপনাটি শুধু একটি পুরোনো ভবন নয়; এটি ওই অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। সত্য সনাতন টিভি

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একসময় জমিদারবাড়িটি সংরক্ষণযোগ্য কি না তা যাচাই করতে সরেজমিন পরিদর্শন করেছিল। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসার আগেই বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা।

 

মঘিয়া এলাকার কয়েকজন হিন্দু বাসিন্দা বলেন, “জমিদারবাড়ির ভেতরের মন্দিরটি এখনো ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুরো স্থাপনা রক্ষা করা সম্ভব না হলেও অন্তত মন্দির অংশটুকু সংরক্ষণ করা হোক।” সত্য সনাতন টিভি

 

সচেতন মহল মনে করছেন, এভাবে একের পর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট হতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন থেকে বঞ্চিত হবে। তারা প্রশ্ন তুলছেন এভাবেই কি বাগেরহাট জেলার সংরক্ষণযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো হারিয়ে যাবে?

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মঘিয়া জমিদারবাড়ির অবশিষ্টাংশ, বিশেষ করে মন্দিরটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট