রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ম পালনে কোনো বাধা নেই, এটাই বাংলাদেশ: ইসকনের অনুষ্ঠানে কয়েস লোদী দীঘিনলায় পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের ১৩৯ তম আবির্ভাব তিথি উদযাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহাসমারোহে রাধাষ্টমী উদযাপন ফরিদপুরে পুরাতন কালীবাড়ী মন্দিরের কালীমূর্তি ও স্বর্ণালংকার চুরি উখিয়ায় কুতুপালং স্বর্ণ শিল্পীবৃন্দের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পূজা বান্দরবানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু আক্রান্ত লিটন মহাজন লিটুর রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাঁশখালীতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বস্ত্র বিতরণ চট্টগ্রামে হিন্দু মহাজোটের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বশান্তি কামনায় প্রার্থনা লালমনিরহাটে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

হিন্দু অধিকার ও ঐতিহ্য রক্ষায় বাংলাদেশ গণ হিন্দু ছাত্র পরিষদের আংশিক কমিটি ঘোষণা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

 

হিন্দু ছাত্র সমাজের অধিকার, মর্যাদা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে কাজ করে আসা সংগঠন “বাংলাদেশ গণ হিন্দু ছাত্র পরিষদ” নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে। আজ ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ইংরেজি রোববার সংগঠনের সভাপতি সুজন চন্দ্র রায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেন।

 

ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন সুজন চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দ্বীপ দাস, আর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রীতম পাল। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে দেশব্যাপী কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে।

 

নতুন নেতৃত্বের মূল স্লোগান “ঐক্যই শক্তি, ঐক্যই মুক্তি। দালালি নয়, অধিকার চাই।”

 

 

নতুন কমিটি ৮টি প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কাজ করবে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হিন্দু যুবসমাজকে ধর্মীয়, নৈতিক ও শিক্ষাগতভাবে শক্তিশালী করা এবং ধর্মান্তর প্রতিরোধে স্থায়ী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা।

 

সভাপতি সুজন চন্দ্র রায় বলেন, “আমাদের কমিটি শ্রীরামচন্দ্রের আদর্শ অনুসরণ করবে। আমরা কোনো দালালি নয়—অধিকার চাই। নৈতিক বিকাশ ও আত্মপরিচয়ের মাধ্যমে হিন্দু ছাত্র সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।”

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক দ্বীপ দাস তাঁর বিবৃতিতে বলেন,

“প্রতারণামূলক সম্পর্ক ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর প্রতিরোধ আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কেউ যদি এর শিকার হয়, আমরা তার পাশে থাকব এবং আইনি সহায়তা প্রদান করব। একইসাথে বৈদিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা ধর্মীয় চেতনা ও আত্মরক্ষা শিক্ষার প্রসার ঘটাব।”

 

 

 

সংগঠনের মূল লক্ষ্য :

 

1. সনাতনী ঐক্য: জাত-পাত নির্বিশেষে সকল সনাতনীকে একত্রিত করে বৃহৎ ঐক্য গড়ে তোলা।

2. শিক্ষাগত উন্নয়ন: ছাত্র সমাজের একাডেমিক ও পেশাগত জীবনে সহায়তা।

3. গীতা শিক্ষা: ভগবদ্‌গীতা পাঠের মাধ্যমে নৈতিকতা ও ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধি।

4. সামাজিক সম্প্রীতি: সকল ধর্মের প্রতি সম্মান রেখে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন।

5. মানবসেবা: রক্তদান, বস্ত্র বিতরণ, ত্রাণ সহায়তা ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।

 

 

সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীতম পাল বলেন, “আংশিক কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews