রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার নিখোঁজের দুই দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন

রাজনগরে শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধামে সাতদিনব্যাপী মহানামযজ্ঞ সম্পন্ন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার তারাপাশায় অবস্থিত শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম-এ সাতদিনব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও বার্ষিক ৪০ প্রহর নামসংকীর্তন মহোৎসব শেষ হয়েছে। গত ১ মার্চ শুরু হওয়া এই ধর্মীয় আয়োজন ৭ মার্চ রোজ শনিবার ভক্তদের সমবেত প্রার্থনা ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

 

আয়োজকদের ভাষ্য, উৎসব উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও হাজারো ভক্ত ধামে সমবেত হন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হরিনাম সংকীর্তন, পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আলোচনা চলেছে। কীর্তনের ধ্বনি, ঘণ্টা-শঙ্খের শব্দ ও ভক্তদের সমবেত প্রার্থনায় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

 

বিশেষ করে ৪, ৫ ও ৬ মার্চ মহাভোগ নিবেদনের দিনগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতি বেশি ছিল। ওই দিনগুলোতে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং ভক্তরা একসঙ্গে অংশ নেন নামসংকীর্তন ও প্রার্থনায়।

 

ধাম পরিচালনা কমিটির সদস্যরা সত্য সনাতন টিভিকে জানান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এই ধামে প্রতিদিনই ধর্মীয় আচার, পিণ্ডদান, শ্রাদ্ধ ও নামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানে ভগবান বিষ্ণুর পদচিহ্ন রয়েছে, তাই এটি বিশেষ পুণ্যস্থান হিসেবে বিবেচিত।

 

এবারের মহোৎসবে ধাম প্রাঙ্গণ আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। রাতের বেলায় রঙিন বাতি ও আলোয় মন্দির চত্বর আলোকিত হয়ে ওঠে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। উৎসব উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নানা কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়।

 

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মহোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। ভবিষ্যতেও এ আয়োজন আরও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তারা জানান।

 

উৎসব শেষে ভক্তদের অনেকেই বলেন, কয়েক দিনের এই নামযজ্ঞে অংশ নিয়ে তারা মানসিক শান্তি ও ভক্তির আনন্দ অনুভব করেছেন। সত্য সনাতন টিভি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews