
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার শহরগাছি হঠাৎপাড়া গ্রামে একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু রনি পাহাড়ীর (১০)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতা ও প্রস্রাবজনিত সংক্রমণে ভুগছে সে। অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে না পারায় দিন দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
রনির বাবা রতন পাহাড়ী মারা গেছেন কয়েক বছর আগে। বর্তমানে মা-ই পরিবারের একমাত্র অভিভাবক। অল্প আয় আর অনিশ্চিত উপার্জনে সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে সন্তানের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
স্থানীয়দের সহায়তায় ইতিমধ্যে রনির প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়েছে। গ্রামবাসীরা ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট ছোট অনুদান দিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা সংগ্রহ করেন। তবে গত এক মাস ধরে নিয়মিত ওষুধ কেনা সম্ভব হয়নি।
পরিবারের দাবি, চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়েছেন রনিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি ওয়ার্ডে ভর্তি করাতে পারলে তার অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভর্তি ও পরবর্তী চিকিৎসার খরচ জোগানো তাদের পক্ষে দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করছি। কিন্তু বড় অঙ্কের টাকা প্রয়োজন। সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষ এগিয়ে এলে ছেলেটার চিকিৎসা সম্ভব হতে পারে।”
রনির পরিবারের কাছে কোনো মোবাইল ফোন নেই। প্রতিবেশী কানু চন্দ্রের মাধ্যমে সহায়তা পাঠানো যাচ্ছে। বিকাশ বা নগদ নম্বর: ০১৭৭২০৫৮৩৮০, রকেট নম্বর: ০১৭৭২০৫৮৩৮০৭।
রনির চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহীদের কাছে স্থানীয়দের আবেদন, সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং বিষয়টি পরিচিতদের জানানো।
ফলো : সত্য সনাতন টিভি