
চিন্ময় প্রভুর জামিন সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত আইডি থেকে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়েছে কিংবা হয়নি এমন পরস্পরবিরোধী ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, আদালতের আনুষ্ঠানিক আদেশ বা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর সুস্পষ্ট বক্তব্য ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা দায়িত্বশীল আচরণের মধ্যে পড়ে না। একটি স্পর্শকাতর আইনগত ইস্যু নিয়ে গুজব বা অসমর্থিত তথ্য ছড়িয়ে পড়লে তা শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং সামাজিক অস্থিরতারও কারণ হতে পারে। তাই এ ধরনের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আইন ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাপ্ত যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার উৎস ও সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট আইনজীবী কিংবা আদালতের আনুষ্ঠানিক সূত্র ছাড়া কোনো তথ্যকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অন্যথায় ভুল বা বানোয়াট তথ্য প্রচারের দায়ে আইনগত জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সচেতন মহল ফেসবুক ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেযাচাই ছাড়া কোনো পোস্টে বিশ্বাস না করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে আলোচিত বা সংবেদনশীল বিষয়ে ধৈর্য ধরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করাই বাঞ্ছনীয়। তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রচার না করার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি সম্পর্কে আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের নির্ভরযোগ্য বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে জনসাধারণকে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত গুজব এড়িয়ে সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।