1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ম ও ভক্তির মিলনক্ষেত্র: চট্টগ্রামের এনায়েতপুরে শ্রী শ্রী মা মগধেশ্বরী মন্দিরে দুই দিনব্যাপী মহোৎসব। ইসলাম ত্যাগ করে সনাতন ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার আরেক মামলায় চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখাতে শুনানি, আদেশ অপেক্ষমাণ জগন্নাথ হলে কিশোরীলাল রায় চৌধুরীর প্রতিকৃতি উন্মোচন শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তৃতীয়বারের মতো গণেশ পূজা হাটহাজারীতে মন্দিরের পুকুর ভরাটে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সংগীতে ধর্মীয় চেতনা ছড়াতে মাঠে নামছে সনাতনী ব্যান্ড ‘মহামায়া’ সাভারের পানপাড়া মহল্লায় সনাতন মহাসংঘের সরেজমিন পরিদর্শন, ন্যায়বিচারের দাবি ফেনীতে ছাগলনাইয়ায় চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা ক্ষেত্র মন্দির (গ্রুপ)’ এর ১০ম গীতা দান কর্মসূচি সম্পন্ন।। বগুড়ার শিবগঞ্জে মন্দির সংস্কার কাজে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের ঢেউটিন প্রদান

শপথ অনুষ্ঠানে গীতাপাঠ না থাকায় প্রশ্ন, সংবিধান কি বলছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক : আকাশ কুমার মহন্ত | ঢাকা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

 

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, পবিত্র বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথা উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় আয়োজনে কেন সব ধর্মের গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হলো না।

 

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২(ক)-এ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উল্লেখ রয়েছে। তবে একই অনুচ্ছেদে অন্যান্য ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি অনুচ্ছেদ ২৭-এ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতার কথা এবং অনুচ্ছেদ ৪১-এ ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত।

 

তবে সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক পদধারীদের জন্য শপথের নির্দিষ্ট ভাষা উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়, “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ় প্রত্যয়) করিতেছি যে…”। অর্থাৎ ‘শপথ’ বা ‘দৃঢ় প্রত্যয়’—দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে। কোথাও নির্দিষ্ট কোনো ধর্মগ্রন্থ পাঠের বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ নেই। সত্য সনাতন টিভি

 

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শপথ গ্রহণ একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া; এটি মূলত রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ও দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার। কোনো ধর্মীয় আচার পালনের বিষয়টি সেখানে বাধ্যতামূলক নয়। ফলে শপথ অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থ পাঠ না হওয়া সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না।

 

তবে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, বাংলাদেশ বহু ধর্মাবলম্বীর দেশ। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সব ধর্মের প্রতি প্রতীকী সম্মান প্রদর্শন করলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে।

 

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিতর্কের মধ্যেই প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে রাষ্ট্রীয় শপথ অনুষ্ঠান কি কেবল সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বহুধর্মীয় বাস্তবতার প্রতিফলনও সেখানে যুক্ত হবে। সত্য সনাতন টিভি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট