
আজ এ.এস.এল -এর প্রতিষ্ঠাতা কবি শিশির রাজনের শুভ জন্মদিন। তিনি ২০০৭সালে আজকের এই দিনে, ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার গুলিচো গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহন করেন। তিনি শিক্ষা জীবন শুরু করেন আনন্দ একাডেমি,ঝলমে। তাহার সম্পাদিত বইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: মায়াবন বিহারিণী,আমি হাজারো রাত জাগি একটি কবিতা লিখবো বলে,আজ আকাশের মন খারাপ,আমরা কজন নবীন মাঝি এবং কারার ঐ লোহ কপাট ইত্যাদি। তিনি একাধারে কবি,সম্পাদক,সংগঠক ও সাংবাদিক। তাহার প্রতিষ্ঠিত পাঠাগার আলোকিত করছে শতাধিক মানুষকে।
তিনি ২০২৪-২০২৫ পর্যন্ত অর্পিতা সাহিত্য লাইব্রেরী-এ.এস.এল পরিবারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমির প্রচার সম্পাদক এবং পায়রাভরত একাডেমির সাধারণ সম্পাদক। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ডাক বাংলা লেখক পুরুষ্কারে ভূষিত হন।তাছাড়াও সুকান্ত ভট্টাচার্য পদক,সেরা সম্পাদক পুরুষ্কার,ডাক বাংলা প্রকাশনী কাব্য পুরুষ্কার,বেস্ট স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড,মুরাদনগর সাহিত্য পরিষদ অ্যাওয়ার্ডসহ নানা পুরুষ্কারে তিনি ভূষিত।
তাহার লেখা অসংখ্য কবিতা,গল্প,ছড়া,উপন্যাস,নাটক বিভিন্ন গ্রন্থ,পত্র-পত্রিকাসহ নানা মাধ্যমে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে এবং তিনি লেখাকে সেবাকাজ হিসাবে গ্রহণ করেছেন এবং কোন তিনি লেখার মাধ্যমে উপার্জিত কোন অর্থ গ্রহণ করেন না।
বাংলাদেশের এই গুণি লেখক,পিতা: নির্মল চন্দ্র সেন এবং মাতা: শ্রীমতি শংকরী রানী সেনের চতুর্থ সন্তান। সপ্তম শ্রেণীতে পড়াকালীন তিনি প্রথম কবিতা লিখেন এবং তিনি যখন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন জাতীয় পত্রিকায় প্রথম কবিতা প্রকাশ হয়। বর্তমানে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় দ্বায়িত্বরত রয়েছেন।