
পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে প্রকাশ্যে গুলি করে এক সংখ্যালঘু হিন্দু যুবককে হত্যার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত যুবকের নাম কৈলাস কোলহি। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে নেমেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ও মানবাধিকারকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কৈলাস কোলহি পেশায় একজন ভাগচাষি ছিলেন। তিনি তালহার এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তির জমিতে চাষাবাদ করতেন। পরিবারের সঙ্গে বসবাসের জন্য ওই জমির পাশে একটি ছোট ঘর নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছিল। সত্য সনাতন টিভি
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে চাষের কাজে যাওয়ার সময় জমির মালিকের সঙ্গে কৈলাসের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যেই তাঁর বুকে গুলি চালান। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কৈলাসের। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সিন্ধের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সংখ্যালঘু হওয়ায় বারবার এমন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা, অথচ প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তাঁরা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার, কঠোর শাস্তি এবং নিহত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। সত্য সনাতন টিভি
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নেতারা এই ঘটনাকে পরিকল্পিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে, সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় পাকিস্তান সরকার চরমভাবে ব্যর্থ।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে চাপ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।