রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি গীতা পুষ্পযজ্ঞ ব্রেন স্ট্রোকে শয্যাশায়ী বিরণ আচার্য্য, চিকিৎসায় প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা মীরসরাইয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারে হামলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও হরিনামে মুখর রাঙ্গুনিয়া, ভক্তির আবেশে শেষ হলো ঝুলনযাত্রা বাগেরহাটে, রামপালে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন ভাবগাম্ভীর্য ও সনাতনী ঐতিহ্যে সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরুমহারাজের ৯৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসব উদযাপন সনাতন ধর্ম অবমাননা,বুটেক্সের শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার নিখোঁজের দুই দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন

শরীয়তপুরে মন্দির কমিটির দীর্ঘদিনের বিরোধ মিটলো শান্তিপূর্ণভাবে।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

 

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের দুটি মন্দির কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধ শেষ হয়েছে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এটি সমাধান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

 

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা, স্থানীয় সুধীজন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিটি পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা, পূজা-পার্বণের সময়সূচি এবং মন্দির ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিরোধ সমাধান করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ হলইপট্টি শ্রী শ্রী কান্তি বাসন্তি পূজা মন্দির ও শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ দুর্গা মন্দির কমিটির মধ্যে পূর্বে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ চলছিল। একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়নি।

 

মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বৈঠকে উপস্থিত থেকে বলেন, “আমাকে সম্প্রতি শরীয়তপুরবাসীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি, আজকের এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হবে। আমরা আগামীতে কোনো ধরনের হিংসা বা প্রতিশোধের ঘটনা হতে দেব না। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে এক পরিবারের মতো মান্য করে শরীয়তপুরকে একটি গর্বিত জেলা হিসেবে গড়ে তুলব।”

 

মন্দির কমিটির নেতারা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় ভবিষ্যতে ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালিত হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews