1. sottosanatontv@gamil.com : সত্য সনাতন : সত্য সনাতন
  2. info@www.sottosanatontv.com : সত্য সনাতন :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুরাদনগরের আন্দিকূটে ৩২ প্রহরব্যাপী ৭২তম বর্ষ শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোটের ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন। বিদ্যাদায়িনী মার আরাধনায় NPS-এর সরস্বতী পূজা ১৪৩২, চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ৪র্থ বর্ষের আয়োজনে মহোৎসব। আদিনাথ মন্দিরে হিসাবরক্ষকের দ্বারা দূর থেকে আসা দর্শনার্থীদের হেনস্থার অভিযোগ ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটের মঘিয়া জমিদারবাড়ি। অমল কুমার চৌধুরী (মহিষাসুর)-এর চিরবিদায়: নিভে গেল এক বাঙ্গালীর মহালয়ারভোরের অট্টহাসির এক মুখ। চিকিৎসার অভাবে বিপন্ন নোয়াখালী সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্র প্রিতম। মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো মকর সংক্রান্তি। রাউজানে হিন্দু বসতঘরে অগ্নিসংযোগ, আরও ৬ জন গ্রেপ্তার, মোট আটক ৭ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খুলে ফেলা হলো সরস্বতী পূজার ব্যানার! ক্ষোভে ফুসছে সনাতনী শিক্ষার্থীরা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চতুর্মুখ মহাকাল ভৈরবের প্রাচীন বিগ্রহ উদ্ধার, গ্রাম জুড়ে ভক্তির জোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক : জয় দেব নাথ | অনলাইন সংস্করণ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি রোজ বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের গুড়াইল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভাউর মায়ের স্থান সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে চতুর্মুখ সংযুক্ত মহাকাল ভৈরবের একটি প্রাচীন বিগ্রহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোড়ন ও গভীর ধর্মীয় আবহ।

 

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর আলোচনার ভিত্তিতে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত বিগ্রহটি সর্বতোভদ্র চতুর্মুখ মহাকাল ভৈরব, যার চারদিকে চারটি মুখ ও দেহাবয়ব সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ উভয় ক্ষেত্রেই এই বিগ্রহটির গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও ভক্তসমাজ। “সত্য সনাতন টিভি”

 

স্থানীয়দের মতে, লোকচক্ষুর অন্তরালেই দীর্ঘকাল ধরে দেবতা ভৈরব এখানে পূজিত হয়ে আসছিলেন এমন বিশ্বাস বহু প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত। ভৈরব জয়ন্তীর পুণ্যতিথিতেই এই বিগ্রহের আবির্ভাব অনেকের কাছে অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। “সত্য সনাতন টিভি”

 

ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে থানার মাধ্যমে বিগ্রহটি সংগ্রহ করে জাদুঘরে সংরক্ষণের একটি প্রস্তাব উঠে আসে। তবে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে গ্রামবাসীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীদের একান্ত ইচ্ছা এই প্রাচীন বিগ্রহটি স্থানীয় গ্রামেই মন্দির প্রতিষ্ঠা করে সনাতন রীতি অনুযায়ী নিয়মিত পূজার্চনার মাধ্যমে স্থাপন করা হোক। তাঁদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি প্রত্নসম্পদ নয়, বরং তাঁদের বিশ্বাস, আস্থা ও ধর্মীয় চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

 

বিগ্রহ উদ্ধারের পর থেকে গুড়াইল গ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় চরম আধ্যাত্মিক ও ভক্তিমূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী মূর্তি দর্শন ও পূজার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে এটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক প্রাপ্তি, অপরদিকে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বপ্রেমীদের কাছে এটি এক অমূল্য আবিষ্কার।

 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও সার্বিক বিষয়টি পর্যবেক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। বিগ্রহটির ভবিষ্যৎ সংরক্ষণ ও স্থাপন নিয়ে প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট