
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েক দিন আগে গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপ ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের বেলায় কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের মানুষ জড়ো হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সরে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনার পরপরই কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং ভুক্তভোগীকে চুপ থাকতে চাপ দেন। এমনকি কেউ সাক্ষ্য দিলে তার পরিণতি খারাপ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।
ভুক্তভোগীর স্বামী বিদেশে থাকায় তিনি আরও অসহায় অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিবারে অন্য কোনো প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ না থাকায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এদিকে, অভিযোগ রয়েছে যে, সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে ভুক্তভোগীকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয় এবং আগেই ‘বিচার’ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের কয়েকজন সদস্য বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, তবে ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।