
ভোলা জেলার তজুমদ্দিনে ধর্মীয় কীর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে এক ২৫ বছর বয়সী হিন্দু নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় শ্রীশ্রী অনিল সাধুর বাৎসরিক ধর্মীয় কীর্তন অনুষ্ঠান চলছিল। একই সময়ে শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রক্ষ্মচারি বাবাজীর তিরোধান দিবস উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী নাম কীর্তনের আয়োজনও ছিল। ২২ ফেব্রুয়ারি রোববার অনুষ্ঠানের চতুর্থ দিনের রাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ভক্তদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। সত্য সনাতন টিভি
অভিযোগ অনুযায়ী, এক সন্তানের জননী ওই নারী গতকাল রাত আনুমানিক ১১ ঘটিকার দিকে কীর্তনস্থল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পরে তাকে তজুমদ্দিন সদর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেপাল কবিরাজের বাড়ির সামনে ভোরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সত্য সনাতন টিভি
ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনজন ব্যক্তি তাকে রাতভর ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। ঘটনাস্থল গোডাউন রোড এলাকায় কিছু দুর্বৃত্ত ও এক অটোরিকশা চালকের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সত্য সনাতন টিভি
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে রক্তাক্ত অবস্থায় ভুক্তভোগীর কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এ ধরনের সংবেদনশীল ছবি প্রচার না করে আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দিকেই জোর দেওয়া উচিত। সত্য সনাতন টিভি
কুঞ্জেরহাট হিন্দু যুব সংঘসহ স্থানীয় সনাতনী সংগঠনগুলো ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আগত নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ফলো : সত্য সনাতন টিভি